ঢাকা ১২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নজরুল জাতীয় চেতনা ও জাতীয়তাবাদের পথপ্রদর্শক: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • / 164

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সাহিত্য ও দর্শন বাংলাদেশের জাতীয় চেতনা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি নজরুলকে জাতির জাগরণ ও জাতীয়তাবাদী ভাবধারার অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণা হিসেবে অভিহিত করেন।

জাতীয় কবি কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, নজরুল ছিলেন এমন এক সৃজনশীল কণ্ঠ, যিনি পরাধীন ও নিপীড়িত জাতিকে আত্মমর্যাদাবোধে জাগিয়ে তুলেছিলেন। তাঁর ভাষায়, সেই সময়ের বাস্তবতায় নজরুলের আবির্ভাব ছিল সমাজের অন্ধকার ভেদ করে এগিয়ে যাওয়ার এক ধরনের মানসিক শক্তি।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, নজরুলের কবিতা ও গান কেবল সাহিত্যিক সৃষ্টি নয়; বরং তা ছিল ঔপনিবেশিক শাসন, বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘ প্রতিবাদের ভাষা। মানবতা, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের পক্ষে তাঁর অবস্থান বাংলা সাহিত্যকে এক বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের বিভিন্ন গণআন্দোলনে নজরুলের রচনাবলি মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সৃষ্টির আবেদন কমে যায়নি, বরং আরও গভীর হয়েছে। নজরুলকে তিনি জাতীয় ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবেও উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর মতে, নজরুল কেবল একজন কবি নন; তিনি একাধারে জাতীয় জাগরণ, সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয় এবং জাতীয়তাবাদের ধারাকে শক্তিশালী করার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নজরুল জাতীয় চেতনা ও জাতীয়তাবাদের পথপ্রদর্শক: প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সাহিত্য ও দর্শন বাংলাদেশের জাতীয় চেতনা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি নজরুলকে জাতির জাগরণ ও জাতীয়তাবাদী ভাবধারার অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণা হিসেবে অভিহিত করেন।

জাতীয় কবি কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, নজরুল ছিলেন এমন এক সৃজনশীল কণ্ঠ, যিনি পরাধীন ও নিপীড়িত জাতিকে আত্মমর্যাদাবোধে জাগিয়ে তুলেছিলেন। তাঁর ভাষায়, সেই সময়ের বাস্তবতায় নজরুলের আবির্ভাব ছিল সমাজের অন্ধকার ভেদ করে এগিয়ে যাওয়ার এক ধরনের মানসিক শক্তি।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, নজরুলের কবিতা ও গান কেবল সাহিত্যিক সৃষ্টি নয়; বরং তা ছিল ঔপনিবেশিক শাসন, বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘ প্রতিবাদের ভাষা। মানবতা, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের পক্ষে তাঁর অবস্থান বাংলা সাহিত্যকে এক বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের বিভিন্ন গণআন্দোলনে নজরুলের রচনাবলি মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সৃষ্টির আবেদন কমে যায়নি, বরং আরও গভীর হয়েছে। নজরুলকে তিনি জাতীয় ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবেও উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর মতে, নজরুল কেবল একজন কবি নন; তিনি একাধারে জাতীয় জাগরণ, সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয় এবং জাতীয়তাবাদের ধারাকে শক্তিশালী করার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।