‘ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের ৭ দফা দাবিতে একমত গভর্নর’
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:০২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
- / 170
বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর উন নবী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন। ছবি: সংগৃহীত
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সাত দফা দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর একমত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বুধবার (১৭ জুন) সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে ফোরাম নেতাদের বৈঠক শেষে সংগঠনের আহ্বায়ক নূর উন নবী এ তথ্য জানান।
এর আগে গত মঙ্গলবার ইসলামী ব্যাংকের ভুক্তভোগী শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি গভর্নরের কাছে দেওয়া হয়। তার সূত্র ধরে বুধবার উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়।
নূর উন নবী বলেন, গ্রাহক ফোরাম উত্থাপিত সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হলে ব্যাংকের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনা সহজ হবে।
গ্রাহক ফোরামের উত্থাপিত সাত দফা দাবি হলো-
১. অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সৎ, যোগ্য, অভিজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে অবিলম্বে একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ গঠন।
২. ২০১৭ সালে কেড়ে নেওয়া মালিকানা ব্যাংকের প্রকৃত ও আদি মালিকদের কাছে দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়া।
৩. বিদায়ী সরকারের আমলে এস আলমসহ যারা হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছে, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে তাদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।
৪. ব্যাংকিং খাতে আতঙ্ক দূর করতে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে বিরত থাকা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাংকের বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচার রোধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ।
৫. বিশেষ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ। একইসঙ্গে অর্থঋণ আদালতে বিশেষ সেল গঠন করে লুটেরাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও বিক্রি করে ব্যাংকের দেনা শোধ করতে হবে।
৬. ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৮/ক ধারা সংশোধন করে চিহ্নিত লুটেরা, তাদের পরিবার ও সুবিধাভোগীদের ব্যাংকিং খাতের পরিচালক পর্ষদে আজীবনের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।
৭. জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।














