ঢাকা ০২:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেন্টমার্টিন উন্মুক্ত, জাহাজ চলাচল শুরু হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২২:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / 26

সেন্টমার্টিন উন্মুক্ত, জাহাজ চলাচল শুরু হয়নি

দীর্ঘ ১০ মাস বন্ধ থাকার পর পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। রোববার (১ নভেম্বর) থেকে পর্যটক ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হলেও এখনো শুরু হয়নি কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল। সংশ্লিষ্টদের আশা, আগামী ৫ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হবে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। পর্যটকদের স্বাগত জানাতে দ্বীপের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টগুলোও প্রস্তুত করা হয়েছে।

তবে পর্যটন মৌসুম শুরু হলেও জাহাজ চলাচল নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পেয়েছে তিনটি জাহাজ। তবে এখনো নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ভয়েজ লাইসেন্স, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) রুট পারমিট এবং জাহাজ চলাচলের সময়সূচি চূড়ান্ত হয়নি।

এ ছাড়া পর্যটকদের টিকিট বিক্রির জন্য ট্যুরিজম বোর্ডের সফটওয়্যারও চালু করা যায়নি। এসব প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় আপাতত জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে ৫ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে জাহাজ চলাচল শুরুর আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সেন্টমার্টিন উন্মুক্ত, জাহাজ চলাচল শুরু হয়নি

সর্বশেষ আপডেট ১১:২২:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

দীর্ঘ ১০ মাস বন্ধ থাকার পর পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। রোববার (১ নভেম্বর) থেকে পর্যটক ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হলেও এখনো শুরু হয়নি কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল। সংশ্লিষ্টদের আশা, আগামী ৫ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হবে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। পর্যটকদের স্বাগত জানাতে দ্বীপের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টগুলোও প্রস্তুত করা হয়েছে।

তবে পর্যটন মৌসুম শুরু হলেও জাহাজ চলাচল নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পেয়েছে তিনটি জাহাজ। তবে এখনো নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ভয়েজ লাইসেন্স, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) রুট পারমিট এবং জাহাজ চলাচলের সময়সূচি চূড়ান্ত হয়নি।

এ ছাড়া পর্যটকদের টিকিট বিক্রির জন্য ট্যুরিজম বোর্ডের সফটওয়্যারও চালু করা যায়নি। এসব প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় আপাতত জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে ৫ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে জাহাজ চলাচল শুরুর আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।