ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীর মৃত্যু জেরে ঢাবি শিক্ষক সুদীপ ৩ দিনের রিমান্ডে

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 7

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে ঘিরে দায়ের করা প্ররোচনার মামলায় সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত; তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়ার আশা পুলিশের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর মৃত্যুকে ঘিরে তদন্ত নতুন দিকে মোড় নিচ্ছে। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনজুরুল ইসলাম এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন। এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেন, যুক্তি দেন—ঘটনার পেছনের সম্পর্ক ও যোগাযোগের দিকগুলো স্পষ্ট করতে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষ জামিন চাইলেও আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেননি।

মামলার নথিতে যে চিত্র পাওয়া যায়, তা কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করে। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিমো রাজধানীর বাড্ডায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। গত রোববার সকালে নিজ কক্ষ থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ—যেখানে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও আর্থিক লেনদেনের ইঙ্গিত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এসব তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য, তা তদন্তের অগ্রগতির ওপরই নির্ভর করছে।

ঘটনার পর মিমোর বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বাড্ডা থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। সেই সূত্র ধরেই পুলিশ সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করে; পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এখন রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ দিকগুলো সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পর্যায়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা কঠিন। তবু রিমান্ডে প্রাপ্ত তথ্য হয়তো ঘটনার প্রেক্ষাপট—বিশেষ করে ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও সম্ভাব্য চাপের বিষয়গুলো—আরও পরিষ্কার করে তুলতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শিক্ষার্থীর মৃত্যু জেরে ঢাবি শিক্ষক সুদীপ ৩ দিনের রিমান্ডে

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে ঘিরে দায়ের করা প্ররোচনার মামলায় সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত; তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়ার আশা পুলিশের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর মৃত্যুকে ঘিরে তদন্ত নতুন দিকে মোড় নিচ্ছে। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনজুরুল ইসলাম এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন। এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেন, যুক্তি দেন—ঘটনার পেছনের সম্পর্ক ও যোগাযোগের দিকগুলো স্পষ্ট করতে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষ জামিন চাইলেও আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেননি।

মামলার নথিতে যে চিত্র পাওয়া যায়, তা কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করে। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিমো রাজধানীর বাড্ডায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। গত রোববার সকালে নিজ কক্ষ থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ—যেখানে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও আর্থিক লেনদেনের ইঙ্গিত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এসব তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য, তা তদন্তের অগ্রগতির ওপরই নির্ভর করছে।

ঘটনার পর মিমোর বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বাড্ডা থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। সেই সূত্র ধরেই পুলিশ সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করে; পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এখন রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ দিকগুলো সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পর্যায়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা কঠিন। তবু রিমান্ডে প্রাপ্ত তথ্য হয়তো ঘটনার প্রেক্ষাপট—বিশেষ করে ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও সম্ভাব্য চাপের বিষয়গুলো—আরও পরিষ্কার করে তুলতে পারে।