ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / 12

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

নতুন সরকারের পর প্রথমবারের মতো চীন সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী—দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দিকনির্দেশনা নিয়ে বাড়ছে কৌতূহল।

আগামীকাল মঙ্গলবার (৫ মে) বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই তার প্রথম চীন সফর, যা কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়—বরং নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার বোঝার একটি সূচক হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র আমন্ত্রণেই তিন দিনের এই সফর অনুষ্ঠিত হবে, যা চলবে ৫ থেকে ৭ মে পর্যন্ত। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ডার বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর ঢাকা-বেইজিং যোগাযোগ কিছুটা সক্রিয় হয়ে উঠেছে—এমন ইঙ্গিত আগেই মিলেছিল। এই সফর সেই ধারাবাহিকতারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে, গত ২০ এপ্রিল চীন সফর করেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এরও আগে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে বিএনপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বেইজিংয়ে যায়। ১৯ সদস্যের সেই দলে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক গুরুত্বের ব্যক্তিরা ছিলেন, যা দুই দেশের মধ্যে দলীয় ও রাষ্ট্রীয় যোগাযোগ—দুটোই সক্রিয় থাকার ইঙ্গিত দেয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

নতুন সরকারের পর প্রথমবারের মতো চীন সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী—দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দিকনির্দেশনা নিয়ে বাড়ছে কৌতূহল।

আগামীকাল মঙ্গলবার (৫ মে) বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই তার প্রথম চীন সফর, যা কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়—বরং নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার বোঝার একটি সূচক হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র আমন্ত্রণেই তিন দিনের এই সফর অনুষ্ঠিত হবে, যা চলবে ৫ থেকে ৭ মে পর্যন্ত। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ডার বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর ঢাকা-বেইজিং যোগাযোগ কিছুটা সক্রিয় হয়ে উঠেছে—এমন ইঙ্গিত আগেই মিলেছিল। এই সফর সেই ধারাবাহিকতারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে, গত ২০ এপ্রিল চীন সফর করেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এরও আগে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে বিএনপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বেইজিংয়ে যায়। ১৯ সদস্যের সেই দলে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক গুরুত্বের ব্যক্তিরা ছিলেন, যা দুই দেশের মধ্যে দলীয় ও রাষ্ট্রীয় যোগাযোগ—দুটোই সক্রিয় থাকার ইঙ্গিত দেয়।