ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকার সড়কে নজর রাখছে এআই ক্যামেরা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / 17

সড়কে ’এআই ক্যামেরা’

ঢাকার সড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই ক্যামেরা’ মোতায়েন করেছে সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে রাজধানীর ৮টি পয়েন্টে এই প্রযুক্তি চালু হয়েছে, যার মাধ্যমে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিজিটাল মামলা ও জরিমানা দেওয়া হচ্ছে। ডিএমপি আগামী এক বছরের মধ্যে ১২০টি পয়েন্টে এই প্রযুক্তি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। তবে বিশেষজ্ঞরা কারিগরি সক্ষমতা ও ডাটাবেজ সঠিক রাখার চ্যালেঞ্জের বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

রাজধানীর যানজট ও বিশৃঙ্খলা নিরসনে এবার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এখন থেকে সিগন্যাল অমান্য করলে ট্রাফিক সার্জেন্টের উপস্থিতির প্রয়োজন হবে না; বরং ঢাকার সড়কে এআই ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়মভঙ্গকারী যানবাহনের নম্বর প্লেট শনাক্ত করে মালিকের মোবাইলে মামলার নোটিশ পাঠিয়ে দেবে। গুলশান ও বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ইতোমধ্যে হাই-ডেফিনিশন ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ৪ শতাধিক মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নতুন এই ডিজিটাল পদ্ধতিতে চালকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও সচেতনতা বেড়েছে। অনেক চালক মনে করছেন, পুলিশ না থাকলেও ক্যামেরার ভয়ে সিগন্যাল মানার প্রবণতা বাড়বে। বর্তমানে ঢাকার সড়কে এআই ক্যামেরা ব্যবহারের ফলে ভোরের দিকেও ৬০ শতাংশ গাড়ি নিয়ম মেনে চলছে বলে ট্রাফিক সার্জেন্টরা জানিয়েছেন। তবে বাসের চালক ও মোটরসাইকেল আরোহীরা বিআরটিএ ডাটাবেজের সঠিকতা এবং ছোট-বড় সব যানবাহনের ক্ষেত্রে সমানভাবে আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন।

প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রশংসা করলেও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা কিছু সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছেন। অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান মনে করেন, মূল সড়কে অটোরিকশার ভিড় এবং ভুয়া নম্বর প্লেটের সমস্যা দূর না করলে এই প্রযুক্তি পূর্ণ সুফল দেবে না। বর্তমানে ঢাকার সড়কে এআই ক্যামেরা প্রকল্পের সাফল্য নির্ভর করছে বিআরটিএ সার্ভারের সক্ষমতা ও ব্যাপক প্রচারণার ওপর। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান জানিয়েছেন, মেগা সিটির ট্রাফিক ব্যবস্থাকে একটি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে তারা বদ্ধপরিকর। পরিশেষে বলা যায়, প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ ও জনসচেতনতাই পারে ঢাকার সড়ককে নিরাপদ করতে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঢাকার সড়কে নজর রাখছে এআই ক্যামেরা

সর্বশেষ আপডেট ১১:১৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

ঢাকার সড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই ক্যামেরা’ মোতায়েন করেছে সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে রাজধানীর ৮টি পয়েন্টে এই প্রযুক্তি চালু হয়েছে, যার মাধ্যমে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিজিটাল মামলা ও জরিমানা দেওয়া হচ্ছে। ডিএমপি আগামী এক বছরের মধ্যে ১২০টি পয়েন্টে এই প্রযুক্তি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। তবে বিশেষজ্ঞরা কারিগরি সক্ষমতা ও ডাটাবেজ সঠিক রাখার চ্যালেঞ্জের বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

রাজধানীর যানজট ও বিশৃঙ্খলা নিরসনে এবার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এখন থেকে সিগন্যাল অমান্য করলে ট্রাফিক সার্জেন্টের উপস্থিতির প্রয়োজন হবে না; বরং ঢাকার সড়কে এআই ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়মভঙ্গকারী যানবাহনের নম্বর প্লেট শনাক্ত করে মালিকের মোবাইলে মামলার নোটিশ পাঠিয়ে দেবে। গুলশান ও বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ইতোমধ্যে হাই-ডেফিনিশন ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ৪ শতাধিক মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নতুন এই ডিজিটাল পদ্ধতিতে চালকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও সচেতনতা বেড়েছে। অনেক চালক মনে করছেন, পুলিশ না থাকলেও ক্যামেরার ভয়ে সিগন্যাল মানার প্রবণতা বাড়বে। বর্তমানে ঢাকার সড়কে এআই ক্যামেরা ব্যবহারের ফলে ভোরের দিকেও ৬০ শতাংশ গাড়ি নিয়ম মেনে চলছে বলে ট্রাফিক সার্জেন্টরা জানিয়েছেন। তবে বাসের চালক ও মোটরসাইকেল আরোহীরা বিআরটিএ ডাটাবেজের সঠিকতা এবং ছোট-বড় সব যানবাহনের ক্ষেত্রে সমানভাবে আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন।

প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রশংসা করলেও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা কিছু সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছেন। অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান মনে করেন, মূল সড়কে অটোরিকশার ভিড় এবং ভুয়া নম্বর প্লেটের সমস্যা দূর না করলে এই প্রযুক্তি পূর্ণ সুফল দেবে না। বর্তমানে ঢাকার সড়কে এআই ক্যামেরা প্রকল্পের সাফল্য নির্ভর করছে বিআরটিএ সার্ভারের সক্ষমতা ও ব্যাপক প্রচারণার ওপর। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান জানিয়েছেন, মেগা সিটির ট্রাফিক ব্যবস্থাকে একটি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে তারা বদ্ধপরিকর। পরিশেষে বলা যায়, প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ ও জনসচেতনতাই পারে ঢাকার সড়ককে নিরাপদ করতে।