ঢাকা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসামে ভূমিকম্প: কাঁপল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল

অন্তার্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • / 9

আসামে ভূমিকম্প

ভারতের আসামের দক্ষিণ সালমারা-মানকাচার এলাকায় আজ শনিবার (৯ মে) দুপুরে ৪.৪ মাত্রার একটি মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে সংঘটিত এই আসামে ভূমিকম্প-এর কম্পন বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলাতেও অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল আসামের ধুবরি শহর থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দূরে।

শনিবার দুপুরে হঠাৎ কেঁপে ওঠে ভারতের আসাম ও বাংলাদেশের উত্তর জনপদ। ভূমিকম্প বিষয়ক আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি নিশ্চিত করেছে যে, রিখটার স্কেলে ৪.৪ মাত্রার একটি কম্পন অনুভূত হয়েছে। মূলত উৎপত্তিস্থল অগভীর হওয়ায় আসামে ভূমিকম্প-এর প্রভাবে বিস্তীর্ণ এলাকায় ঝাঁকুনি বেশি অনুভূত হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত এই ভূমিকম্পের সুনির্দিষ্ট গভীরতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ধুবরি শহর থেকে ৩৪ কিলোমিটার দূরত্বে। অগভীর এই কম্পনের ফলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানের মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। বর্তমানে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কারণে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে শক্তিশালী ঝাঁকুনি হওয়ার কারণে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে মানুষের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, অগভীর ভূমিকম্প সাধারণত বড় অঞ্চলের ওপর প্রভাব ফেলে। আজ দুপুরে সংঘটিত এই আসামে ভূমিকম্প-এর স্থায়িত্ব কম থাকলেও এর তীব্রতা ছিল বেশ স্পষ্ট। বর্তমানে আবহাওয়া ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। অবশেষে বলা যায়, ঘন ঘন এমন মৃদু ও মাঝারি মাত্রার কম্পন এই অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতির জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আসামে ভূমিকম্প: কাঁপল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল

সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

ভারতের আসামের দক্ষিণ সালমারা-মানকাচার এলাকায় আজ শনিবার (৯ মে) দুপুরে ৪.৪ মাত্রার একটি মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে সংঘটিত এই আসামে ভূমিকম্প-এর কম্পন বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলাতেও অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল আসামের ধুবরি শহর থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দূরে।

শনিবার দুপুরে হঠাৎ কেঁপে ওঠে ভারতের আসাম ও বাংলাদেশের উত্তর জনপদ। ভূমিকম্প বিষয়ক আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি নিশ্চিত করেছে যে, রিখটার স্কেলে ৪.৪ মাত্রার একটি কম্পন অনুভূত হয়েছে। মূলত উৎপত্তিস্থল অগভীর হওয়ায় আসামে ভূমিকম্প-এর প্রভাবে বিস্তীর্ণ এলাকায় ঝাঁকুনি বেশি অনুভূত হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত এই ভূমিকম্পের সুনির্দিষ্ট গভীরতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ধুবরি শহর থেকে ৩৪ কিলোমিটার দূরত্বে। অগভীর এই কম্পনের ফলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানের মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। বর্তমানে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কারণে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে শক্তিশালী ঝাঁকুনি হওয়ার কারণে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে মানুষের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, অগভীর ভূমিকম্প সাধারণত বড় অঞ্চলের ওপর প্রভাব ফেলে। আজ দুপুরে সংঘটিত এই আসামে ভূমিকম্প-এর স্থায়িত্ব কম থাকলেও এর তীব্রতা ছিল বেশ স্পষ্ট। বর্তমানে আবহাওয়া ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। অবশেষে বলা যায়, ঘন ঘন এমন মৃদু ও মাঝারি মাত্রার কম্পন এই অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতির জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।