ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জালিয়াতির অভিযোগে চরফ্যাশনের দুই মাদরাসা সুপারকে শোকজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • / 15

এমপিওভুক্তি সংক্রান্ত নথিতে জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগে ভোলার চরফ্যাশনের দুই দাখিল মাদরাসার সুপারকে শোকজ করেছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। একই সঙ্গে তাদের বর্তমান এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না কেন, সে বিষয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এমপিওভুক্তি সংক্রান্ত নথিতে জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগে ভোলার চরফ্যাশনের দুটি দাখিল মাদরাসার সুপারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

সোমবার (২৯ জুন) অধিদপ্তরের অর্থ শাখার সহকারী পরিচালক ও সদস্যসচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

শোকজপ্রাপ্তরা হলেন চরফ্যাশন উপজেলার পূর্ব ফরিদাবাদ ইউনুছিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. জাফর উদ্দিন এবং চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. ওমর ফারুক।

অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ অনুযায়ী নতুন এমপিও আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় দুই প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।

অভিযোগ অনুযায়ী, মহাপরিচালকের প্রতিনিধির নামে জাল চিঠি তৈরি, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন, জাল ফলাফলপত্র প্রস্তুত এবং প্রতিনিধির জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করে পূর্ব ফরিদাবাদ ইউনুছিয়া দাখিল মাদরাসায় মো. মিরাজ হোসেন এবং চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসায় আফনান নামে একজনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে এমপিওভুক্তির আবেদন পাঠানো হয়।

বিষয়টি তদন্তে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পেয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের নতুন এমপিও আবেদন বাতিলের সুপারিশ করে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে নীতিমালার ১৮১(গ) ও ১৮১(ঙ) ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দুই সুপারের বর্তমান এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না কেন, সে বিষয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে ব্যর্থ হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুপার মো. ওমর ফারুক ও মো. জাফর উদ্দিন জানান, তারা এখনও এ ধরনের কোনো চিঠি সম্পর্কে অবগত নন। পরে তারা ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জালিয়াতির অভিযোগে চরফ্যাশনের দুই মাদরাসা সুপারকে শোকজ

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

এমপিওভুক্তি সংক্রান্ত নথিতে জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগে ভোলার চরফ্যাশনের দুই দাখিল মাদরাসার সুপারকে শোকজ করেছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। একই সঙ্গে তাদের বর্তমান এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না কেন, সে বিষয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এমপিওভুক্তি সংক্রান্ত নথিতে জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগে ভোলার চরফ্যাশনের দুটি দাখিল মাদরাসার সুপারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

সোমবার (২৯ জুন) অধিদপ্তরের অর্থ শাখার সহকারী পরিচালক ও সদস্যসচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

শোকজপ্রাপ্তরা হলেন চরফ্যাশন উপজেলার পূর্ব ফরিদাবাদ ইউনুছিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. জাফর উদ্দিন এবং চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. ওমর ফারুক।

অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ অনুযায়ী নতুন এমপিও আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় দুই প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।

অভিযোগ অনুযায়ী, মহাপরিচালকের প্রতিনিধির নামে জাল চিঠি তৈরি, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন, জাল ফলাফলপত্র প্রস্তুত এবং প্রতিনিধির জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করে পূর্ব ফরিদাবাদ ইউনুছিয়া দাখিল মাদরাসায় মো. মিরাজ হোসেন এবং চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসায় আফনান নামে একজনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে এমপিওভুক্তির আবেদন পাঠানো হয়।

বিষয়টি তদন্তে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পেয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের নতুন এমপিও আবেদন বাতিলের সুপারিশ করে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে নীতিমালার ১৮১(গ) ও ১৮১(ঙ) ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দুই সুপারের বর্তমান এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না কেন, সে বিষয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে ব্যর্থ হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুপার মো. ওমর ফারুক ও মো. জাফর উদ্দিন জানান, তারা এখনও এ ধরনের কোনো চিঠি সম্পর্কে অবগত নন। পরে তারা ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।