ঢাকা ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডোপ টেস্টে মেলেনি মাদকের অস্তিত্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 127

সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডোপ টেস্টে মেলেনি মাদকের অস্তিত্ব

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে শরীরে কোনো মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, পরীক্ষায় বিশেষ করে এমফিটামিনের উপস্থিতিও মেলেনি।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

তিনি জানান, আসামিদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রোববার রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকেই তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে নমুনা পরীক্ষা করে শরীরে মাদকের কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে ডিবির একটি দল রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের নমুনা সংগ্রহ করে। এ সময় রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবের একজন টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারী উপস্থিত ছিলেন।

আসামিদের কারাগার থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি থাকায় সেখানেই নমুনা সংগ্রহের উদ্যোগ নেয় ডিবি। এ জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কাছে কারাগারে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি চাওয়া হয়। অনুমতি পাওয়ার পর মেডিকেল কলেজের সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কারাগারে যায় পুলিশের দল।

গত ২২ আগস্ট রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তে নেমে প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পরে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা।

এ ঘটনায় গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর নগরীর কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। চারজনের হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডোপ টেস্টে মেলেনি মাদকের অস্তিত্ব

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে শরীরে কোনো মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, পরীক্ষায় বিশেষ করে এমফিটামিনের উপস্থিতিও মেলেনি।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

তিনি জানান, আসামিদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রোববার রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকেই তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে নমুনা পরীক্ষা করে শরীরে মাদকের কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে ডিবির একটি দল রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের নমুনা সংগ্রহ করে। এ সময় রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবের একজন টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারী উপস্থিত ছিলেন।

আসামিদের কারাগার থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি থাকায় সেখানেই নমুনা সংগ্রহের উদ্যোগ নেয় ডিবি। এ জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কাছে কারাগারে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি চাওয়া হয়। অনুমতি পাওয়ার পর মেডিকেল কলেজের সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কারাগারে যায় পুলিশের দল।

গত ২২ আগস্ট রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তে নেমে প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পরে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা।

এ ঘটনায় গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর নগরীর কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। চারজনের হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।