ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ মামলায় এনসিপি নেতা কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 10

ধর্ষণ মামলায় এনসিপি নেতা কারাগারে

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে বান্দরবান জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক শৈক্যচিং মার্মাকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে বান্দরবান পৌর শহরের মধ্যমপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই এলাকার মংশৈপ্রু মার্মার ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ মাস ধরে ওই নারীর সঙ্গে শৈক্যচিং মার্মার সম্পর্ক ছিল। এ সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে নিজের সাইনী রিসোর্টে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী।

এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন দুপুরে রিসোর্টে খাবার খাওয়ার সময় ওই নারী বিয়ের বিষয়ে কথা তোলেন। তখন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান অভিযুক্ত ব্যক্তি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন রিসোর্টে এলে ওই নারীকে ধাক্কা দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী নারীর পাঁচ বছর আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর দূরসম্পর্কের দুলাভাই।

তবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শৈক্যচিং মার্মা। তাঁর দাবি, তাঁকে অর্থের জন্য ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে। টাকা না দেওয়ায় পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ওই নারী তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) কামরুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মধ্যমপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ধর্ষণ মামলায় এনসিপি নেতা কারাগারে

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে বান্দরবান জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক শৈক্যচিং মার্মাকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে বান্দরবান পৌর শহরের মধ্যমপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই এলাকার মংশৈপ্রু মার্মার ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ মাস ধরে ওই নারীর সঙ্গে শৈক্যচিং মার্মার সম্পর্ক ছিল। এ সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে নিজের সাইনী রিসোর্টে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী।

এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন দুপুরে রিসোর্টে খাবার খাওয়ার সময় ওই নারী বিয়ের বিষয়ে কথা তোলেন। তখন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান অভিযুক্ত ব্যক্তি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন রিসোর্টে এলে ওই নারীকে ধাক্কা দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী নারীর পাঁচ বছর আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর দূরসম্পর্কের দুলাভাই।

তবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শৈক্যচিং মার্মা। তাঁর দাবি, তাঁকে অর্থের জন্য ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে। টাকা না দেওয়ায় পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ওই নারী তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) কামরুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মধ্যমপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।