ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরি করে এনসিপি নেতা কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:২০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 14

যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরি করে এনসিপি নেতা কারাগারে

ফরিদপুরে অবৈধভাবে কারখানা পরিচালনা করে যৌন উত্তেজক ওষুধ, শিশুদের বেবি জেলসহ বিভিন্ন সামগ্রী তৈরির দায়ে এনসিপির এক নেতাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদ (৪০) এনসিপির ফরিদপুর জেলা কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকায় বসবাস করেন।

মঙ্গলবার রাতে গোয়ালচামট এলাকায় শাহেদের মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ কারখানায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো। পরে আদালত শাহেদকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কারখানাটি অবৈধভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। সেখানে শিশুদের বেবি জেল, বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক ওষুধসহ বিপুল পরিমাণ আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি করা হতো। অভিযানের সময় কারখানা থেকে এসব পণ্যের বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযানটি পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃপক্ষ।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো বলেন, কারখানাটিতে অবৈধভাবে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও সামগ্রী উৎপাদন করা হচ্ছিল। অভিযানের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাহেদকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে এনসিপির ফরিদপুর জেলা কমিটির সদস্যসচিব সাইফ হাসান খাঁন বলেন, “অন্যায়ের সঙ্গে আমাদের আপস নেই। দলীয় কোনো সদস্য অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে কেন্দ্রে জানানো হবে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরি করে এনসিপি নেতা কারাগারে

সর্বশেষ আপডেট ০৩:২০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুরে অবৈধভাবে কারখানা পরিচালনা করে যৌন উত্তেজক ওষুধ, শিশুদের বেবি জেলসহ বিভিন্ন সামগ্রী তৈরির দায়ে এনসিপির এক নেতাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদ (৪০) এনসিপির ফরিদপুর জেলা কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকায় বসবাস করেন।

মঙ্গলবার রাতে গোয়ালচামট এলাকায় শাহেদের মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ কারখানায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো। পরে আদালত শাহেদকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কারখানাটি অবৈধভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। সেখানে শিশুদের বেবি জেল, বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক ওষুধসহ বিপুল পরিমাণ আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি করা হতো। অভিযানের সময় কারখানা থেকে এসব পণ্যের বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযানটি পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃপক্ষ।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো বলেন, কারখানাটিতে অবৈধভাবে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও সামগ্রী উৎপাদন করা হচ্ছিল। অভিযানের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাহেদকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে এনসিপির ফরিদপুর জেলা কমিটির সদস্যসচিব সাইফ হাসান খাঁন বলেন, “অন্যায়ের সঙ্গে আমাদের আপস নেই। দলীয় কোনো সদস্য অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে কেন্দ্রে জানানো হবে।”