ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্যসেবায় অবহেলার বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • / 45

স্বাস্থ্যসেবায় অবহেলার বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি

প্রস্তাবিত স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনে রোগীর অধিকার নিশ্চিত করা, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা এবং দায়িত্ব পালনকালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে নাগরিক সমাজের বিভিন্ন সংগঠন।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় সেন্টার ফর ল’ অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স (সিএলপিএ) আয়োজিত ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন: নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক অনলাইন ওয়েবিনারে এসব দাবি জানানো হয়। এতে সিএলপিএ, পাবলিক হেলথ লইয়ার্স নেটওয়ার্ক ও সিটিজেন নেটওয়ার্ক-সিনেটের উদ্যোগে রোগীর অধিকার, চিকিৎসায় জবাবদিহি এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত আইনে মানসম্মত ও বৈষম্যহীন স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার, রোগ ও চিকিৎসা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য জানার অধিকার, চিকিৎসায় সম্মতি প্রদান, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা এবং সম্মানজনক আচরণ পাওয়ার বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

চিকিৎসায় অবহেলা, ভুল চিকিৎসা, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা কিংবা রোগীর অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য স্বাধীন, স্বচ্ছ ও সহজলভ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তাঁরা। অভিযোগের ধরন ও প্রমাণের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত রোগী ও পরিবারের ন্যায়বিচার এবং প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, চিকিৎসার অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল, অনিবার্য জটিলতা এবং প্রকৃত চিকিৎসা অবহেলার মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণে নিরপেক্ষ মূল্যায়নব্যবস্থা থাকা জরুরি।

একই সঙ্গে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তাঁরা বলেন, অতিরিক্ত রোগীর চাপ, জনবলসংকট, সীমিত অবকাঠামো এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয় স্বাস্থ্যকর্মীদের। তাই তাঁদের শারীরিক নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা এবং সহিংসতা, হুমকি ও হয়রানি থেকে সুরক্ষার বিষয়টি আইনে স্পষ্ট করতে হবে।

তবে স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার বিধান যেন চিকিৎসায় অবহেলা বা রোগীর অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে বাধা সৃষ্টি না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করেন বক্তারা। একইভাবে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অযৌক্তিক হয়রানি থেকে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় ন্যায়সংগত আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তাঁরা।

বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ মুশতাক হোসেন বলেন, মানুষের বাড়ির কাছেই প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। স্বাস্থ্যব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার ছাড়া রোগীর অধিকার সুরক্ষিত করা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অ্যাডভোকেট মমতাজ মৌ স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনে প্রশমনমূলক সেবা বা প্যালিয়েটিভ কেয়ার অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন বি-স্ক্যানের নির্বাহী পরিচালক সালমা মাহবুব।

ফরিদা আখতার ‘ওয়ান হেলথ’ বা সমন্বিত স্বাস্থ্য পদ্ধতির আলোকে স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এ ক্ষেত্রে কৃষি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় এবং যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। অন্যদিকে, অ্যাডভোকেট শাহনেওয়াজ পাটোয়ারী আইনে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

ব্যারিস্টার নিশাত মাহবুব বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ স্বাস্থ্যকে জীবনের অধিকারের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাই রাষ্ট্রীয় নীতি ও কার্যক্রমে স্বাস্থ্য অধিকার যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে প্রত্যেক নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত হয়।

বক্তারা আরও বলেন, রোগী ও স্বাস্থ্যসেবাদানকারী; উভয় পক্ষের অধিকার, দায়িত্ব ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য রেখে কার্যকর স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন। এ জন্য রোগীর অধিকার সনদ, অভিযোগ নিষ্পত্তির নিরপেক্ষ ব্যবস্থা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্যসেবার মান পর্যবেক্ষণ এবং জবাবদিহির কার্যকর কাঠামো আইনে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেন তাঁরা।

ওয়েবিনারে আরও অংশ নেন ডা. আমিনুল হাসান, ডা. মাহবুব মুনতানবী, নাটাবের প্রকল্প পরিচালক ফিরোজ আহমেদসহ আইনজীবী, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিএলপিএর জ্যেষ্ঠ নীতি বিশ্লেষক কামরুনন্নিছা মুন্না। সভাপতিত্ব করেন গ্রাম বাংলা উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ও সিটিজেন নেটওয়ার্ক-সিনেটের সদস্য এ কে এম মাকসুদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিএলপিএর সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম।

ওয়েবিনারে নাগরিক সমাজ, আইনজীবী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তাবিত আইনে অন্তর্ভুক্তিযোগ্য বিষয়গুলো চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নাগরিকদের প্রত্যাশা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটিয়ে এমন একটি আইন প্রণয়ন করা হবে, যা রোগীর অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা এবং দায়িত্ব পালনের অনুকূল পরিবেশ সুরক্ষিত করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

স্বাস্থ্যসেবায় অবহেলার বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

প্রস্তাবিত স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনে রোগীর অধিকার নিশ্চিত করা, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা এবং দায়িত্ব পালনকালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে নাগরিক সমাজের বিভিন্ন সংগঠন।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় সেন্টার ফর ল’ অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স (সিএলপিএ) আয়োজিত ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন: নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক অনলাইন ওয়েবিনারে এসব দাবি জানানো হয়। এতে সিএলপিএ, পাবলিক হেলথ লইয়ার্স নেটওয়ার্ক ও সিটিজেন নেটওয়ার্ক-সিনেটের উদ্যোগে রোগীর অধিকার, চিকিৎসায় জবাবদিহি এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত আইনে মানসম্মত ও বৈষম্যহীন স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার, রোগ ও চিকিৎসা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য জানার অধিকার, চিকিৎসায় সম্মতি প্রদান, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা এবং সম্মানজনক আচরণ পাওয়ার বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

চিকিৎসায় অবহেলা, ভুল চিকিৎসা, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা কিংবা রোগীর অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য স্বাধীন, স্বচ্ছ ও সহজলভ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তাঁরা। অভিযোগের ধরন ও প্রমাণের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত রোগী ও পরিবারের ন্যায়বিচার এবং প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, চিকিৎসার অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল, অনিবার্য জটিলতা এবং প্রকৃত চিকিৎসা অবহেলার মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণে নিরপেক্ষ মূল্যায়নব্যবস্থা থাকা জরুরি।

একই সঙ্গে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তাঁরা বলেন, অতিরিক্ত রোগীর চাপ, জনবলসংকট, সীমিত অবকাঠামো এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয় স্বাস্থ্যকর্মীদের। তাই তাঁদের শারীরিক নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা এবং সহিংসতা, হুমকি ও হয়রানি থেকে সুরক্ষার বিষয়টি আইনে স্পষ্ট করতে হবে।

তবে স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার বিধান যেন চিকিৎসায় অবহেলা বা রোগীর অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে বাধা সৃষ্টি না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করেন বক্তারা। একইভাবে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অযৌক্তিক হয়রানি থেকে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় ন্যায়সংগত আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তাঁরা।

বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ মুশতাক হোসেন বলেন, মানুষের বাড়ির কাছেই প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। স্বাস্থ্যব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার ছাড়া রোগীর অধিকার সুরক্ষিত করা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অ্যাডভোকেট মমতাজ মৌ স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনে প্রশমনমূলক সেবা বা প্যালিয়েটিভ কেয়ার অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন বি-স্ক্যানের নির্বাহী পরিচালক সালমা মাহবুব।

ফরিদা আখতার ‘ওয়ান হেলথ’ বা সমন্বিত স্বাস্থ্য পদ্ধতির আলোকে স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এ ক্ষেত্রে কৃষি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় এবং যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। অন্যদিকে, অ্যাডভোকেট শাহনেওয়াজ পাটোয়ারী আইনে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

ব্যারিস্টার নিশাত মাহবুব বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ স্বাস্থ্যকে জীবনের অধিকারের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাই রাষ্ট্রীয় নীতি ও কার্যক্রমে স্বাস্থ্য অধিকার যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে প্রত্যেক নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত হয়।

বক্তারা আরও বলেন, রোগী ও স্বাস্থ্যসেবাদানকারী; উভয় পক্ষের অধিকার, দায়িত্ব ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য রেখে কার্যকর স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন। এ জন্য রোগীর অধিকার সনদ, অভিযোগ নিষ্পত্তির নিরপেক্ষ ব্যবস্থা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্যসেবার মান পর্যবেক্ষণ এবং জবাবদিহির কার্যকর কাঠামো আইনে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেন তাঁরা।

ওয়েবিনারে আরও অংশ নেন ডা. আমিনুল হাসান, ডা. মাহবুব মুনতানবী, নাটাবের প্রকল্প পরিচালক ফিরোজ আহমেদসহ আইনজীবী, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিএলপিএর জ্যেষ্ঠ নীতি বিশ্লেষক কামরুনন্নিছা মুন্না। সভাপতিত্ব করেন গ্রাম বাংলা উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ও সিটিজেন নেটওয়ার্ক-সিনেটের সদস্য এ কে এম মাকসুদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিএলপিএর সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম।

ওয়েবিনারে নাগরিক সমাজ, আইনজীবী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তাবিত আইনে অন্তর্ভুক্তিযোগ্য বিষয়গুলো চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নাগরিকদের প্রত্যাশা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটিয়ে এমন একটি আইন প্রণয়ন করা হবে, যা রোগীর অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা এবং দায়িত্ব পালনের অনুকূল পরিবেশ সুরক্ষিত করবে।