ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কপ-৩১ সামনে রেখে শ্রমিকদের ২৩ দাবি

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 115

কপ-৩১ সামনে রেখে শ্রমিকদের ২৩ দাবি

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় শ্রমিকদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, জীবিকার নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে। কপ-৩১ সামনে রেখে শ্রম অধিকার রক্ষায় আটটি ক্ষেত্রের আওতায় ২৩ দফা দাবি তুলে ধরেছে শ্রমিক ও নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলো।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকায় ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স ফর জাস্ট ট্রানজিশন বাংলাদেশ (এনএজেটিবি), মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) ও বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশনের (বিএলএফ) উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব দাবি উপস্থাপন করা হয়। এতে তীব্র তাপপ্রবাহ, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি এবং শিল্প খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও জীবিকার ওপর প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের সরকারি প্রতিনিধিদলে শ্রমিকদের পাশাপাশি নারী শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানান।

যৌথ উদ্বোধনী বক্তব্যে এনএজেটিবির নির্বাহী সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে শ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও জলবায়ু সংকটের ক্ষতিকর প্রভাব তাঁদেরই বেশি বহন করতে হচ্ছে। জলবায়ু অর্থায়নের নামে ঋণ বা দাননির্ভর সহায়তার পরিবর্তে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির ভিত্তিতে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি শ্রমিকদের জীবন ও জীবিকাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, বাংলাদেশের মোট কর্মজীবীর প্রায় ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত। তীব্র তাপপ্রবাহ, কর্মসংস্থান হারানো ও জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতির কারণে এসব শ্রমিক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাঁদের আয় ও চাকরির নিরাপত্তা, মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ এবং শোভন কাজের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অবৈতনিক সেবাকাজের বাড়তি চাপ ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নারী শ্রমিকদের জন্য বিশেষ সুরক্ষার ব্যবস্থাও দাবি করেন তিনি। কপ-৩১-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে অন্তত একজন নারী শ্রমিককে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান শাহীন আনাম।

এনএজেটিবির সদস্যসচিব ও বিএলএফের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম আশরাফ উদ্দিন বলেন, পরিবেশবান্ধব অর্থনীতিতে উত্তরণের সময় শ্রমিকেরা যদি মজুরি, কর্মসংস্থান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ হারান, তাহলে সেই পরিবর্তন টেকসই হবে না। শ্রমিকদের দাবিগুলো কপ-৩১-এর আলোচনায় তুলে ধরতে সরকার, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মূল প্রবন্ধে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও জীবিকার ওপর ক্রমবর্ধমান প্রভাব তুলে ধরেন। বিশ্বব্যাংকের তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে তাপজনিত অসুস্থতার কারণে প্রায় ২৫ কোটি কর্মদিবস নষ্ট হয়েছে। ৪৩টি প্রতিষ্ঠানের অবদানে আটটি পরামর্শ সভার মাধ্যমে তৈরি শ্রমিক সনদে সামাজিক সুরক্ষা, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, নীতিনির্ধারণে শ্রমিকদের অংশগ্রহণ, অর্থায়ন এবং পুনর্দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির দাবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এনএজেটিবির প্রধান সমন্বয়কারী আনোয়ার হোসেন জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা এবং ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমিকদের সুরক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম উত্থাপিত দাবিগুলোকে সময়োপযোগী ও পূর্ণাঙ্গ বলে উল্লেখ করেন। প্রাসঙ্গিক দাবিগুলো জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের জলবায়ুনীতির পাশাপাশি কপ-৩১-এর জন্য বাংলাদেশের অবস্থানপত্রে অন্তর্ভুক্ত করতে মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আগামী তিন মাসের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ঢাকা জেলার জন্য রয়েছে ২৯৬ মেগাওয়াট। নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনামের সঞ্চালনায় প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন অক্সফাম ইন বাংলাদেশের জলবায়ু ন্যায়বিচার ও প্রাকৃতিক সম্পদ অধিকার বিভাগের প্রধান ড. মোহাম্মদ ইমরান হাসান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামছুল ইসলাম, মীর মোহাম্মদ আলী এবং সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি ও এনএজেটিবির সমন্বয়কারী রাজেকুজ্জামান রতন।

এনএজেটিবির সমন্বয়কারী ও শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধি শাকিল আখতার চৌধুরী শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট আটটি ক্ষেত্রের আওতায় সনদের ২৩টি দাবি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইএলওর বাংলাদেশ কার্যালয়ের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন, বিজিএমইএর জাস্ট ট্রানজিশনবিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আমের সেলিম এবং বিএলএফের প্রোগ্রাম অফিসার জুবায়ের আলম।

সনদে বলা হয়েছে, ন্যায্য জলবায়ু রূপান্তরে শ্রমিকদের শুধু ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করলেই চলবে না। তাঁদের কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ জীবিকা নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় কার্যকর অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কপ-৩১ সামনে রেখে শ্রমিকদের ২৩ দাবি

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় শ্রমিকদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, জীবিকার নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে। কপ-৩১ সামনে রেখে শ্রম অধিকার রক্ষায় আটটি ক্ষেত্রের আওতায় ২৩ দফা দাবি তুলে ধরেছে শ্রমিক ও নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলো।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকায় ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স ফর জাস্ট ট্রানজিশন বাংলাদেশ (এনএজেটিবি), মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) ও বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশনের (বিএলএফ) উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব দাবি উপস্থাপন করা হয়। এতে তীব্র তাপপ্রবাহ, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি এবং শিল্প খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও জীবিকার ওপর প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের সরকারি প্রতিনিধিদলে শ্রমিকদের পাশাপাশি নারী শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানান।

যৌথ উদ্বোধনী বক্তব্যে এনএজেটিবির নির্বাহী সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে শ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও জলবায়ু সংকটের ক্ষতিকর প্রভাব তাঁদেরই বেশি বহন করতে হচ্ছে। জলবায়ু অর্থায়নের নামে ঋণ বা দাননির্ভর সহায়তার পরিবর্তে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির ভিত্তিতে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি শ্রমিকদের জীবন ও জীবিকাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, বাংলাদেশের মোট কর্মজীবীর প্রায় ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত। তীব্র তাপপ্রবাহ, কর্মসংস্থান হারানো ও জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতির কারণে এসব শ্রমিক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাঁদের আয় ও চাকরির নিরাপত্তা, মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ এবং শোভন কাজের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অবৈতনিক সেবাকাজের বাড়তি চাপ ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নারী শ্রমিকদের জন্য বিশেষ সুরক্ষার ব্যবস্থাও দাবি করেন তিনি। কপ-৩১-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে অন্তত একজন নারী শ্রমিককে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান শাহীন আনাম।

এনএজেটিবির সদস্যসচিব ও বিএলএফের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম আশরাফ উদ্দিন বলেন, পরিবেশবান্ধব অর্থনীতিতে উত্তরণের সময় শ্রমিকেরা যদি মজুরি, কর্মসংস্থান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ হারান, তাহলে সেই পরিবর্তন টেকসই হবে না। শ্রমিকদের দাবিগুলো কপ-৩১-এর আলোচনায় তুলে ধরতে সরকার, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মূল প্রবন্ধে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও জীবিকার ওপর ক্রমবর্ধমান প্রভাব তুলে ধরেন। বিশ্বব্যাংকের তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে তাপজনিত অসুস্থতার কারণে প্রায় ২৫ কোটি কর্মদিবস নষ্ট হয়েছে। ৪৩টি প্রতিষ্ঠানের অবদানে আটটি পরামর্শ সভার মাধ্যমে তৈরি শ্রমিক সনদে সামাজিক সুরক্ষা, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, নীতিনির্ধারণে শ্রমিকদের অংশগ্রহণ, অর্থায়ন এবং পুনর্দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির দাবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এনএজেটিবির প্রধান সমন্বয়কারী আনোয়ার হোসেন জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা এবং ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমিকদের সুরক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম উত্থাপিত দাবিগুলোকে সময়োপযোগী ও পূর্ণাঙ্গ বলে উল্লেখ করেন। প্রাসঙ্গিক দাবিগুলো জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের জলবায়ুনীতির পাশাপাশি কপ-৩১-এর জন্য বাংলাদেশের অবস্থানপত্রে অন্তর্ভুক্ত করতে মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আগামী তিন মাসের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ঢাকা জেলার জন্য রয়েছে ২৯৬ মেগাওয়াট। নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনামের সঞ্চালনায় প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন অক্সফাম ইন বাংলাদেশের জলবায়ু ন্যায়বিচার ও প্রাকৃতিক সম্পদ অধিকার বিভাগের প্রধান ড. মোহাম্মদ ইমরান হাসান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামছুল ইসলাম, মীর মোহাম্মদ আলী এবং সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি ও এনএজেটিবির সমন্বয়কারী রাজেকুজ্জামান রতন।

এনএজেটিবির সমন্বয়কারী ও শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধি শাকিল আখতার চৌধুরী শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট আটটি ক্ষেত্রের আওতায় সনদের ২৩টি দাবি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইএলওর বাংলাদেশ কার্যালয়ের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন, বিজিএমইএর জাস্ট ট্রানজিশনবিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আমের সেলিম এবং বিএলএফের প্রোগ্রাম অফিসার জুবায়ের আলম।

সনদে বলা হয়েছে, ন্যায্য জলবায়ু রূপান্তরে শ্রমিকদের শুধু ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করলেই চলবে না। তাঁদের কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ জীবিকা নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় কার্যকর অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে হবে।