১১:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
  • সময় ১২:১৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  • / 85

শেরপুরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

শেরপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া বাদল নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার ভীমগঞ্জ বাজার এলাকার একটি মাদ্রাসার সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন সোহাগ (৩৫) ও রাহুল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক লুৎফর রহমানের সঙ্গে জাকারিয়া বাদলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব চলছিল।

মঙ্গলবার বিকেলে বাদলসহ তিনজন মোটরসাইকেলে ভীমগঞ্জ বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় ওত পেতে থাকা নূরে আলম ও কৃষক লীগ নেতা লুৎফর রহমানের অনুসারীরা তাদের গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বাদলসহ তিনজনকে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে শেরপুর ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে বাদল ও সোহাগকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেও অবস্থার অবনতি হলে বাদলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে, ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পথে উত্তরা এলাকায় পৌঁছালে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় যৌথ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

শেয়ার করুন

শেরপুরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

সময় ১২:১৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

শেরপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া বাদল নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার ভীমগঞ্জ বাজার এলাকার একটি মাদ্রাসার সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন সোহাগ (৩৫) ও রাহুল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক লুৎফর রহমানের সঙ্গে জাকারিয়া বাদলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব চলছিল।

মঙ্গলবার বিকেলে বাদলসহ তিনজন মোটরসাইকেলে ভীমগঞ্জ বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় ওত পেতে থাকা নূরে আলম ও কৃষক লীগ নেতা লুৎফর রহমানের অনুসারীরা তাদের গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বাদলসহ তিনজনকে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে শেরপুর ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে বাদল ও সোহাগকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেও অবস্থার অবনতি হলে বাদলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে, ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পথে উত্তরা এলাকায় পৌঁছালে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় যৌথ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে।