বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ার অনুরোধ গোলাম আজম পুত্রের | Bangla Affairs
০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ার অনুরোধ গোলাম আজম পুত্রের

নিউজ ডেস্ক
  • সময় ০৭:০১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  • / 73

গোলাম আযম পুত্র আযমী বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়তে বললেন

সেনাবাহিনীর সাবেক বিগ্রেডিয়ার এবং প্রয়াত জামায়াত নেতা গোলাম আযম পুত্র আমান আযমী আজ শুক্রবার ( ৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর ব্যাক্তিগত ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন।

আজমী তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, শেখ সাহেবের লেখা “অসমাপ্ত আত্মজীবনী” বইটি দয়া করে সবাই পড়ুন। জানতে পারবেন ফ্যাসিবাদদের “জনক” এর আসল পরিচয়। তিনি একজন মুনাফেক, আত্মস্বীকৃত গুন্ডা, মাস্তান, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী, পরিস্থিতি ঘোলাটেকারী, এবং আত্মস্বীকৃত ক্ষমতালোভী ব্যক্তি ছিলেন।

তার বইয়ের কিছু উদ্ধৃতি থেকে প্রমাণের উল্লেখ করে তিনি আরো উল্লেখ করে লিখেন, দেখুন:

(১) মুনাফেক: তিনি বলেছেন, “গণতন্ত্রে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়না।”

তার অপশাসনে জাতি যখন অতীষ্ঠ, তখন তারই হাতে গড়া ছাত্রলীগ নেতা আসম আব্দুর রব ও অকুতোভয় বীর সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিল জাসদ গঠণ করে তার যুলুমের প্রতিবাদ করা শুরু করে। সে সময়ে প্রায় ত্রিশ হাজার জাসদ নেতাকর্মীকে শেখ সাহেব হত্যা করেন।

(২) ক্ষমতালোভী: ৫০ এর দশকের শুরুতে কারাবন্দী অবস্থায় ডাক্তার চিকিৎসার জন্য এসে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি জেলে কেন?” আওয়ামী আব্বার জবাব, “ক্ষমতা দখল করতে চাই। ক্ষমতায় না গেলে জনগণের সেবা করবো কিভাবে?”

তিনি ক্ষমতায় গিয়েই জনগণকে নির্বিঘ্নে নির্বিচারে হত্যা করেন। এরপর গনতন্ত্র গলা টিপে মারেন।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম কলংকজনক অধ্যায় হলো শেখ সাহেবের ৭২ থেকে ৭৫ এর শাসনামল। তার আত্মজীবনী পড়ুন। অন্যান্য লেখকদের বই পড়ে দেখুন। অনেক কিছুই জানতে পারবেন।

এই মুনাফেক ও ক্ষমতালোভীর উত্তরসূরী নব্য ফেরাউন “বাপকা বেটি” হবে না তো কি হবে? ডিজিটাল যালেম হওয়ায় নব্য ফেরাউন যুলুমে বাপকে অনেক পিছনে ফেলে দুনিয়ার ইতিহাসে “অপ্রতিদ্বন্দ্বী চ্যাম্পিয়ন যালেম” খেতাবপ্রাপ্ত।

“গণতন্ত্র” আর “জনগণ” হলো তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার বুলি, ভাওতাবাজি। আর ক্ষমতায় গেলেই তারা প্রথমে এই দুইটাকে “ধংস” ও নিশ্চিহ্ন করার কাজ সম্পন্ন করে।নির্লজ্জরা এরপরও কথা বলে কোন মুখে? চোরের মত পালিয়ে গিয়েও মুখ বন্ধ হয়না!

অপহরণের আগে আমি অনেকবার লোকমুখে শুনেছি “আপনি কি মানুষ, না আওয়ামী লীগ?” এর চেয়ে খাটি কথা খুব কমই হয়। আপনারা নিশ্চয়ই শুনেছেন।

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ার অনুরোধ গোলাম আজম পুত্রের

সময় ০৭:০১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

সেনাবাহিনীর সাবেক বিগ্রেডিয়ার এবং প্রয়াত জামায়াত নেতা গোলাম আযম পুত্র আমান আযমী আজ শুক্রবার ( ৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর ব্যাক্তিগত ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন।

আজমী তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, শেখ সাহেবের লেখা “অসমাপ্ত আত্মজীবনী” বইটি দয়া করে সবাই পড়ুন। জানতে পারবেন ফ্যাসিবাদদের “জনক” এর আসল পরিচয়। তিনি একজন মুনাফেক, আত্মস্বীকৃত গুন্ডা, মাস্তান, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী, পরিস্থিতি ঘোলাটেকারী, এবং আত্মস্বীকৃত ক্ষমতালোভী ব্যক্তি ছিলেন।

তার বইয়ের কিছু উদ্ধৃতি থেকে প্রমাণের উল্লেখ করে তিনি আরো উল্লেখ করে লিখেন, দেখুন:

(১) মুনাফেক: তিনি বলেছেন, “গণতন্ত্রে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়না।”

তার অপশাসনে জাতি যখন অতীষ্ঠ, তখন তারই হাতে গড়া ছাত্রলীগ নেতা আসম আব্দুর রব ও অকুতোভয় বীর সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিল জাসদ গঠণ করে তার যুলুমের প্রতিবাদ করা শুরু করে। সে সময়ে প্রায় ত্রিশ হাজার জাসদ নেতাকর্মীকে শেখ সাহেব হত্যা করেন।

(২) ক্ষমতালোভী: ৫০ এর দশকের শুরুতে কারাবন্দী অবস্থায় ডাক্তার চিকিৎসার জন্য এসে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি জেলে কেন?” আওয়ামী আব্বার জবাব, “ক্ষমতা দখল করতে চাই। ক্ষমতায় না গেলে জনগণের সেবা করবো কিভাবে?”

তিনি ক্ষমতায় গিয়েই জনগণকে নির্বিঘ্নে নির্বিচারে হত্যা করেন। এরপর গনতন্ত্র গলা টিপে মারেন।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম কলংকজনক অধ্যায় হলো শেখ সাহেবের ৭২ থেকে ৭৫ এর শাসনামল। তার আত্মজীবনী পড়ুন। অন্যান্য লেখকদের বই পড়ে দেখুন। অনেক কিছুই জানতে পারবেন।

এই মুনাফেক ও ক্ষমতালোভীর উত্তরসূরী নব্য ফেরাউন “বাপকা বেটি” হবে না তো কি হবে? ডিজিটাল যালেম হওয়ায় নব্য ফেরাউন যুলুমে বাপকে অনেক পিছনে ফেলে দুনিয়ার ইতিহাসে “অপ্রতিদ্বন্দ্বী চ্যাম্পিয়ন যালেম” খেতাবপ্রাপ্ত।

“গণতন্ত্র” আর “জনগণ” হলো তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার বুলি, ভাওতাবাজি। আর ক্ষমতায় গেলেই তারা প্রথমে এই দুইটাকে “ধংস” ও নিশ্চিহ্ন করার কাজ সম্পন্ন করে।নির্লজ্জরা এরপরও কথা বলে কোন মুখে? চোরের মত পালিয়ে গিয়েও মুখ বন্ধ হয়না!

অপহরণের আগে আমি অনেকবার লোকমুখে শুনেছি “আপনি কি মানুষ, না আওয়ামী লীগ?” এর চেয়ে খাটি কথা খুব কমই হয়। আপনারা নিশ্চয়ই শুনেছেন।