জেলহত্যা দিবসের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে পুলিশি বাঁধা! | Bangla Affairs
১২:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জেলহত্যা দিবসের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে পুলিশি বাঁধা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সময় ০২:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪
  • / 384

আজ ৩ নভেম্বর ৪৯তম জেল হত্যা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (পুরাতন) মূল ফটকের সামনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতাকে মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে স্মরণ করেন।

তবে ভোরবেলায় বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে গেলে পুলিশ ও সেখানে অবস্থান নেয়া লোকজনের বাঁধায় কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপনে ব্যর্থ হন। ভোরে গিয়ে দেখা যায়, পুলিশ দুটো গেইট বন্ধ করে পাহারা দিচ্ছে, সঙ্গে বেশ কিছু একটি গ্রুপও আছে।

তারা কারা জানতে চাইলে পুলিশ বলে আমরা জানিনা। তাদের জিজ্ঞেস করলে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এরপর দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও আওয়ামী লীগের কেউ জাতীয় নেতাদের কবরস্থানে প্রবেশ করতে পারেনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্র লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আনোয়ার হোছাইন, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক এনামুল হক প্রিন্স, সাবেক উপ-মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক কপিল হালদার সজল, সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এম.এম. নাজমুল হাসান, সাবেক সহ-সভাপতি হাসান আহম্মেদ খান, যুবনেতা জহির তালুকদার প্রমুখ।

তারা বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে না পেরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গেলে একইভাবে পুলিশি দ্বারা বাঁধাপ্রাপ্ত হন।
উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের এই দিনে অবৈধ বিশ্বাসঘাতক খন্দকার মোশতাক এর নির্দেশে গভীর রাতে সেনা সদস্যরা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করে জাতীয় চার নেতা তাজউদ্দীন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

শেয়ার করুন

জেলহত্যা দিবসের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে পুলিশি বাঁধা!

সময় ০২:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪

আজ ৩ নভেম্বর ৪৯তম জেল হত্যা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (পুরাতন) মূল ফটকের সামনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতাকে মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে স্মরণ করেন।

তবে ভোরবেলায় বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে গেলে পুলিশ ও সেখানে অবস্থান নেয়া লোকজনের বাঁধায় কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপনে ব্যর্থ হন। ভোরে গিয়ে দেখা যায়, পুলিশ দুটো গেইট বন্ধ করে পাহারা দিচ্ছে, সঙ্গে বেশ কিছু একটি গ্রুপও আছে।

তারা কারা জানতে চাইলে পুলিশ বলে আমরা জানিনা। তাদের জিজ্ঞেস করলে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এরপর দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও আওয়ামী লীগের কেউ জাতীয় নেতাদের কবরস্থানে প্রবেশ করতে পারেনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্র লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আনোয়ার হোছাইন, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক এনামুল হক প্রিন্স, সাবেক উপ-মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক কপিল হালদার সজল, সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এম.এম. নাজমুল হাসান, সাবেক সহ-সভাপতি হাসান আহম্মেদ খান, যুবনেতা জহির তালুকদার প্রমুখ।

তারা বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে না পেরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গেলে একইভাবে পুলিশি দ্বারা বাঁধাপ্রাপ্ত হন।
উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের এই দিনে অবৈধ বিশ্বাসঘাতক খন্দকার মোশতাক এর নির্দেশে গভীর রাতে সেনা সদস্যরা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করে জাতীয় চার নেতা তাজউদ্দীন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে নির্মমভাবে হত্যা করে।