ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ৯ পৌষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ঐশ্বর্য কি প্রতিবন্ধী নাকি মানসিক ভারসাম্যহীন?

ঐশ্বরিয়ার হাফ সেঞ্চুরি, থেমে নেই কেলেংকারি!

বিনোদন প্রতিবেদক
  • সময় ০১:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪
  • / 431

ঐশ্বর্যা রাই বা ঐশ্বরিয়া রাই, যিনি বিবাহের পরে ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন হিসেবে পরিচিত। আজ এই বিশ্ব সুন্দরী নায়িকার জন্মদিন।

৫০ পেরিয়ে ৫১ তে পদার্পন করলেও থেমে নেই এখনো তার নানা কেলেংকারি। অনিন্দ্য সুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাইকে নিয়ে প্রেম থেকে বিবাহ,

দাম্পত্য, সবেতেই যেন চর্চায় থেকেছেন সবাই। দেখতে দেখতে জুনিয়র বচ্চন অভিষেকের সঙ্গে ১৪ বছরের দাম্পত্য জীবনও পার করে ফেললেন ঐশ্বর্য। বচ্চন পরিবারের পূত্রবধু তথা প্রাক্তন

বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বর্য রাই বচ্চনকে নিয়ে সর্বদাই তোলপাড় নেটপাড়া। রিল থেকে রিয়েল তারকাদের পুরোটাই যেন গসিপে মোড়া। অভিনয় থেকে রিলেশন সবসময়েই লাইমলাইটের শীর্ষে বচ্চন পরিবার।

তাদের ব্যক্তিগত জীবন জানার জন্যও মুখিয়ে থাকেন ভক্তরা। ক্য়াারিয়ারের শুরুতেই প্রেম, শা রী রি ক সম্পর্ক নিয়ে বি-টাউনে আলোড়ন ফেলেছিলেন প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী । তবে সম্পর্কে জড়ালেও নিজের দৃষ্টিভঙ্গিতে অনড় ছিলেন ঐশ্বর্য। সাক্ষাৎকার থেকে জানা গেছে, প্রথম দেখাতেই প্রেমে মোটেই বিশ্বাসী ছিলেন না অ্যাশ, তারপরেও ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড -এ নাম জড়িয়েছিল ঐশ্বর্যর। তবে ওয়ান নাইট স্ট্যান্ডেই নয়, শা রী রি ক সম্পর্ক নিয়েও শিরোনামে উঠে এসেছিলেন ঐশ্বর্য।

ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঐশ্বর্য জানিয়েছিলেন, কোনও পুরুষকে প্রথম দেখেই প্রেমে পাগল হননি অ্যাশ। এই ধারণা একদমই ছিল না নায়িকার।

পুরোনো সাক্ষাৎকার ভাইরাল হতেই জানা গেছে, প্রথম দেখাতেই প্রেম, কিংবা ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড -এ একদমই বিশ্বাসী ছিলেন না ঐশ্বর্য, বরং বেশ দীর্ঘ সময় ধরে মানুষটাকে জানা এবং তারপর তাকে নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু করা এটাল ছিল ঐশ্বর্যের ভাবনা।

ঐশ্বর্য আরও জানিয়েছেন, কোনও অসাড় সম্পর্কে জড়ানো কিংবা ওয়ান নাইট স্ট্যান্ডে একদমই বিশ্বাসী ছিলেন না রাই সুন্দরী। মানসিক ভাবে কোনোদিনই প্রস্তুত ছিলেন না। বি-টাউনে একের পর এক অভিনেতার সঙ্গে বারবার নাম জড়িয়েছে ঐশ্বর্যর। অভিনয় থেকে রিলেশন সবসময়েই লাইমলাইটের শীর্ষে বচ্চন বধূ।

ঐশ্বরিয়া রাই

ক্যারিয়ার যখন মধ্যগগণে, তখনই ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমায় সলমন খানের সঙ্গে ডেটিং করছিলেন ঐশ্বর্য। বি-টাউনে তখনও সেভাবে জমি পাকাতে পারেননি ঐশ্বর্য। অন্যদিকে সলমন বেশ প্রতিষ্ঠিত।

একসময়ে বি টাউনের চর্চিত কাপলদের মধ্যে অন্যতম সলমন খান এবং ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। তাদের প্রেম থেকে ব্রেক আপ সবটাই যেন চর্চিত বিষয়। সেই গদগদ প্রেম আজ অতীত। বহুলচর্চিত প্রেমের বিচ্ছেদের পরই বলি অভিনেতা বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে নাম জড়ায় ঐশ্বর্য।

যদিও সেই সম্পর্কও বেশিদিন টেকেনি। সালমনের হুমকিতেই নাকি সেই সম্পর্কেও চিড় ধরেছিল।

তবে এই প্রথমবার নয়, এর আগেও একাধিকবার চর্চায় উঠে এসেছেন বচ্চন বধূ।

কখনও লিপস্টিক তো কখন স্বামীকে হাত ধরে হাঁটা. আবার কখনও মেয়েকে চুমু খাওয়া নিয়ে , আবার বেগুনি লিপস্টিক পরে ফ্যাশন নিয়েও একাধিক কটাক্ষের মুখে পড়েছেন প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী।

২০১৭ সালে ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের কানের রেড কার্পেট লুক নিয়েও জোর চর্চা হয়েছিল। বেগুনি রঙের লিপস্টিক পরে সকলকে চমকে দিয়েছিলেন ঐশ্বর্য।

ফ্যাশন স্টেটমেন্ট নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়েই হাসির খোরাক হয়েছিলেন ঐশ্বর্য। সকলেই তার ঠোঁটের রং নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেছিল।

অনেকেই আবার উল্টো সুরেও কথা বলেছেন। ঐশ্বর্যর বিশেষ কোনও সমস্যা আছে বলে মনে করছেন নেটিজেনরা।

নেটিজেনরা এও বলেছেন, ঐশ্বর্য কি প্রতিবন্ধী নাকি মানসিক ভারসাম্যহীন। প্রায়শই মেয়ে কিংবা স্বামী হাত ধরে চলতেই দেখা যায়। শুধু তাই নয় হাত ধরে পোজ দিতে গিয়েই বারবার চরম ট্রোলের মুখে পড়েছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন।

মেয়ে হোক কিংবা স্বামী সর্বদাই যেন নিজের কাছে আগলে রাখেন ঐশ্বর্য।

প্রতিটি ছবিতেই ঐশ্বর্যকে আগলে ধরে রেখেছেন জুনিয়র বচ্চন। কিন্তু কেন? এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন নেটিজেনরা।

ঐশ্বর্যকে নিয়ে কি তবে ভয় পাচ্ছেন জুনিয়র বচ্চন নাকি চোখে হারাতে চান না বলে সবসময়েই সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে চলছেন, এই প্রশ্নই তুলেছেন নেটিজেনরা।

ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের বেশিরভাগ সময়েই মেয়ে আরাধ্যাকে আগলে রাখেন নিজের কাছে। বেশ কিছিুদিন আগেও একটি ছবি ভাইরাল হয়েছিল যেখানে আরাধ্যার ঠোঁটে চুমু খেতে দেখা গিয়েছিল ঐশ্বর্যকে।

মা ও মেয়ের এই ভালবাসার ছবি নিয়েও ট্রোলড করতে ছা়ড়েননি নেটিজেনরা।

২০০৪ সালেই বচ্চন পরিবারকে নোটিশ হাত দিয়েছিল ইডি। শুধু তাই নয়, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার এলআরএস-এর আওতায় বিদেশে কোথায় এবং কত পরিমাণ সম্পত্তি রেখেছিল তারা , তার হিসেবে জমা দিতে বলা হয়েছিল।

সূত্র থেকে আরও জানা যায় ঐশ্বর্য ছাড়াও তার মা ও বাবা এই কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত।

এত বড় জালিয়াতির সঙ্গে কীভাবে যুক্ত হল ঐশ্বর্যর পরিবার এই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় অভিনেত্রীকে।

তবে আগামী দিনে ফের ইডির জেরার মুখে পড়তে হবে কিনা ঐশ্বর্যকে তা স্পষ্ট নয়।

তবে সূত্রের খবর, পানামা কান্ডে খুব শীঘ্রই ইডি-র মুখোমুখি জেরা করা হতে পারে অমিতাভ বচ্চনকে।

ঐশ্বরিয়া রাই

উল্লেখ্য, একজন ভারতীয় অভিনেত্রী এবং প্রাক্তন মিস ওয়ার্ল্ড ঐশ্বরিয়ার জন্ম ১৯৭৩ সালের ১ নভেম্বর। অভিনয় জগতে পদার্পণ করার আগে তিনি মডেল হিসেবে কাজ করতেন

এবং ১৯৯৪ সালে মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব অর্জন করার পর ব্যাপক খ্যাতি লাভ করেন। সমগ্র কর্মজীবনে রাই বেশ কিছু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রসহ চল্লিশটিরও

অধিক হিন্দী, ইংরেজি, তামিল, এবং বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

মণি রত্নমের তামিল ছবি ইরুভার (১৯৯৭) ছবিতে অভিনেত্রী হিসেবে রাই প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন এবং প্রথম বাণিজ্যিক সাফল্য পান তামিল ছবি জিন্স (১৯৯৮)-এ।

তিনি সঞ্জয় লীলা ভন্সালী পরিচালিত হাম দিল দে চুকে সনম (১৯৯৯) ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।

এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেছিলেন। ২০০২ সালে ভন্সালীর পরবর্তী ছবি দেবদাস-এ তিনি অভিনয় করেন। যার জন্য তিনি দ্বিতীয় বার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।

২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল ছিলো তাঁর কর্মজীবনের একটু বাজে সময়। এর পর তিনি অভিনয় করেন ব্লকবাস্টার ছবি ধুম ২ (২০০৬)-তে।

এই ছবিটা ছিল তাঁর বলিউডের বৃহত্তম অর্থনৈতিক সাফল্য। পরবর্তী সময় তাঁকে গুরু (২০০৭) এবং যোধা আকবর (২০০৮) এ অভিনয় করতে দেখা যায়, যেগুলি ছিলো অর্থনৈতিকভাবে সফল ছবি এবং এই ছবি গুলোতে অভিনয়ের জন্য তিনি সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিতও হন।

এইভাবে রাই ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে তাঁর সমকালীন অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন অন্যতম অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

রাই বিয়ে করেছেন ভারতীয় অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে এবং তিনি অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চনের পুত্রবধূ। বিবাহের পর তাঁর নাম হয়েছে ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন।

 

 

শেয়ার করুন

ঐশ্বর্য কি প্রতিবন্ধী নাকি মানসিক ভারসাম্যহীন?

ঐশ্বরিয়ার হাফ সেঞ্চুরি, থেমে নেই কেলেংকারি!

সময় ০১:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪

ঐশ্বর্যা রাই বা ঐশ্বরিয়া রাই, যিনি বিবাহের পরে ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন হিসেবে পরিচিত। আজ এই বিশ্ব সুন্দরী নায়িকার জন্মদিন।

৫০ পেরিয়ে ৫১ তে পদার্পন করলেও থেমে নেই এখনো তার নানা কেলেংকারি। অনিন্দ্য সুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাইকে নিয়ে প্রেম থেকে বিবাহ,

দাম্পত্য, সবেতেই যেন চর্চায় থেকেছেন সবাই। দেখতে দেখতে জুনিয়র বচ্চন অভিষেকের সঙ্গে ১৪ বছরের দাম্পত্য জীবনও পার করে ফেললেন ঐশ্বর্য। বচ্চন পরিবারের পূত্রবধু তথা প্রাক্তন

বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বর্য রাই বচ্চনকে নিয়ে সর্বদাই তোলপাড় নেটপাড়া। রিল থেকে রিয়েল তারকাদের পুরোটাই যেন গসিপে মোড়া। অভিনয় থেকে রিলেশন সবসময়েই লাইমলাইটের শীর্ষে বচ্চন পরিবার।

তাদের ব্যক্তিগত জীবন জানার জন্যও মুখিয়ে থাকেন ভক্তরা। ক্য়াারিয়ারের শুরুতেই প্রেম, শা রী রি ক সম্পর্ক নিয়ে বি-টাউনে আলোড়ন ফেলেছিলেন প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী । তবে সম্পর্কে জড়ালেও নিজের দৃষ্টিভঙ্গিতে অনড় ছিলেন ঐশ্বর্য। সাক্ষাৎকার থেকে জানা গেছে, প্রথম দেখাতেই প্রেমে মোটেই বিশ্বাসী ছিলেন না অ্যাশ, তারপরেও ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড -এ নাম জড়িয়েছিল ঐশ্বর্যর। তবে ওয়ান নাইট স্ট্যান্ডেই নয়, শা রী রি ক সম্পর্ক নিয়েও শিরোনামে উঠে এসেছিলেন ঐশ্বর্য।

ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঐশ্বর্য জানিয়েছিলেন, কোনও পুরুষকে প্রথম দেখেই প্রেমে পাগল হননি অ্যাশ। এই ধারণা একদমই ছিল না নায়িকার।

পুরোনো সাক্ষাৎকার ভাইরাল হতেই জানা গেছে, প্রথম দেখাতেই প্রেম, কিংবা ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড -এ একদমই বিশ্বাসী ছিলেন না ঐশ্বর্য, বরং বেশ দীর্ঘ সময় ধরে মানুষটাকে জানা এবং তারপর তাকে নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু করা এটাল ছিল ঐশ্বর্যের ভাবনা।

ঐশ্বর্য আরও জানিয়েছেন, কোনও অসাড় সম্পর্কে জড়ানো কিংবা ওয়ান নাইট স্ট্যান্ডে একদমই বিশ্বাসী ছিলেন না রাই সুন্দরী। মানসিক ভাবে কোনোদিনই প্রস্তুত ছিলেন না। বি-টাউনে একের পর এক অভিনেতার সঙ্গে বারবার নাম জড়িয়েছে ঐশ্বর্যর। অভিনয় থেকে রিলেশন সবসময়েই লাইমলাইটের শীর্ষে বচ্চন বধূ।

ঐশ্বরিয়া রাই

ক্যারিয়ার যখন মধ্যগগণে, তখনই ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমায় সলমন খানের সঙ্গে ডেটিং করছিলেন ঐশ্বর্য। বি-টাউনে তখনও সেভাবে জমি পাকাতে পারেননি ঐশ্বর্য। অন্যদিকে সলমন বেশ প্রতিষ্ঠিত।

একসময়ে বি টাউনের চর্চিত কাপলদের মধ্যে অন্যতম সলমন খান এবং ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। তাদের প্রেম থেকে ব্রেক আপ সবটাই যেন চর্চিত বিষয়। সেই গদগদ প্রেম আজ অতীত। বহুলচর্চিত প্রেমের বিচ্ছেদের পরই বলি অভিনেতা বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে নাম জড়ায় ঐশ্বর্য।

যদিও সেই সম্পর্কও বেশিদিন টেকেনি। সালমনের হুমকিতেই নাকি সেই সম্পর্কেও চিড় ধরেছিল।

তবে এই প্রথমবার নয়, এর আগেও একাধিকবার চর্চায় উঠে এসেছেন বচ্চন বধূ।

কখনও লিপস্টিক তো কখন স্বামীকে হাত ধরে হাঁটা. আবার কখনও মেয়েকে চুমু খাওয়া নিয়ে , আবার বেগুনি লিপস্টিক পরে ফ্যাশন নিয়েও একাধিক কটাক্ষের মুখে পড়েছেন প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী।

২০১৭ সালে ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের কানের রেড কার্পেট লুক নিয়েও জোর চর্চা হয়েছিল। বেগুনি রঙের লিপস্টিক পরে সকলকে চমকে দিয়েছিলেন ঐশ্বর্য।

ফ্যাশন স্টেটমেন্ট নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়েই হাসির খোরাক হয়েছিলেন ঐশ্বর্য। সকলেই তার ঠোঁটের রং নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেছিল।

অনেকেই আবার উল্টো সুরেও কথা বলেছেন। ঐশ্বর্যর বিশেষ কোনও সমস্যা আছে বলে মনে করছেন নেটিজেনরা।

নেটিজেনরা এও বলেছেন, ঐশ্বর্য কি প্রতিবন্ধী নাকি মানসিক ভারসাম্যহীন। প্রায়শই মেয়ে কিংবা স্বামী হাত ধরে চলতেই দেখা যায়। শুধু তাই নয় হাত ধরে পোজ দিতে গিয়েই বারবার চরম ট্রোলের মুখে পড়েছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন।

মেয়ে হোক কিংবা স্বামী সর্বদাই যেন নিজের কাছে আগলে রাখেন ঐশ্বর্য।

প্রতিটি ছবিতেই ঐশ্বর্যকে আগলে ধরে রেখেছেন জুনিয়র বচ্চন। কিন্তু কেন? এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন নেটিজেনরা।

ঐশ্বর্যকে নিয়ে কি তবে ভয় পাচ্ছেন জুনিয়র বচ্চন নাকি চোখে হারাতে চান না বলে সবসময়েই সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে চলছেন, এই প্রশ্নই তুলেছেন নেটিজেনরা।

ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের বেশিরভাগ সময়েই মেয়ে আরাধ্যাকে আগলে রাখেন নিজের কাছে। বেশ কিছিুদিন আগেও একটি ছবি ভাইরাল হয়েছিল যেখানে আরাধ্যার ঠোঁটে চুমু খেতে দেখা গিয়েছিল ঐশ্বর্যকে।

মা ও মেয়ের এই ভালবাসার ছবি নিয়েও ট্রোলড করতে ছা়ড়েননি নেটিজেনরা।

২০০৪ সালেই বচ্চন পরিবারকে নোটিশ হাত দিয়েছিল ইডি। শুধু তাই নয়, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার এলআরএস-এর আওতায় বিদেশে কোথায় এবং কত পরিমাণ সম্পত্তি রেখেছিল তারা , তার হিসেবে জমা দিতে বলা হয়েছিল।

সূত্র থেকে আরও জানা যায় ঐশ্বর্য ছাড়াও তার মা ও বাবা এই কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত।

এত বড় জালিয়াতির সঙ্গে কীভাবে যুক্ত হল ঐশ্বর্যর পরিবার এই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় অভিনেত্রীকে।

তবে আগামী দিনে ফের ইডির জেরার মুখে পড়তে হবে কিনা ঐশ্বর্যকে তা স্পষ্ট নয়।

তবে সূত্রের খবর, পানামা কান্ডে খুব শীঘ্রই ইডি-র মুখোমুখি জেরা করা হতে পারে অমিতাভ বচ্চনকে।

ঐশ্বরিয়া রাই

উল্লেখ্য, একজন ভারতীয় অভিনেত্রী এবং প্রাক্তন মিস ওয়ার্ল্ড ঐশ্বরিয়ার জন্ম ১৯৭৩ সালের ১ নভেম্বর। অভিনয় জগতে পদার্পণ করার আগে তিনি মডেল হিসেবে কাজ করতেন

এবং ১৯৯৪ সালে মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব অর্জন করার পর ব্যাপক খ্যাতি লাভ করেন। সমগ্র কর্মজীবনে রাই বেশ কিছু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রসহ চল্লিশটিরও

অধিক হিন্দী, ইংরেজি, তামিল, এবং বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

মণি রত্নমের তামিল ছবি ইরুভার (১৯৯৭) ছবিতে অভিনেত্রী হিসেবে রাই প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন এবং প্রথম বাণিজ্যিক সাফল্য পান তামিল ছবি জিন্স (১৯৯৮)-এ।

তিনি সঞ্জয় লীলা ভন্সালী পরিচালিত হাম দিল দে চুকে সনম (১৯৯৯) ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।

এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেছিলেন। ২০০২ সালে ভন্সালীর পরবর্তী ছবি দেবদাস-এ তিনি অভিনয় করেন। যার জন্য তিনি দ্বিতীয় বার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।

২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল ছিলো তাঁর কর্মজীবনের একটু বাজে সময়। এর পর তিনি অভিনয় করেন ব্লকবাস্টার ছবি ধুম ২ (২০০৬)-তে।

এই ছবিটা ছিল তাঁর বলিউডের বৃহত্তম অর্থনৈতিক সাফল্য। পরবর্তী সময় তাঁকে গুরু (২০০৭) এবং যোধা আকবর (২০০৮) এ অভিনয় করতে দেখা যায়, যেগুলি ছিলো অর্থনৈতিকভাবে সফল ছবি এবং এই ছবি গুলোতে অভিনয়ের জন্য তিনি সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিতও হন।

এইভাবে রাই ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে তাঁর সমকালীন অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন অন্যতম অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

রাই বিয়ে করেছেন ভারতীয় অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে এবং তিনি অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চনের পুত্রবধূ। বিবাহের পর তাঁর নাম হয়েছে ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন।