সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রকল্প পরিচালককে গলা কেটে হত্যা | Bangla Affairs
০৯:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রকল্প পরিচালককে গলা কেটে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ
  • সময় ১০:১৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  • / 54

গলা কেটে হত্যা

নারায়ণগঞ্জ শহরের টানবাজার সাহাপাড়া এলাকায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রকল্প পরিচালক উৎপল রায়কে (৬২) গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে তার ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত উৎপল রায় টানবাজার এলাকার শংকর সাহার মালিকানাধীন সাততলা ভবনের চতুর্থ তলায় থাকতেন। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।

উৎপল রায়ের ছেলে উজ্জ্বল কুমার রায় জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাসায় এসে অনেক ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে দরজার লক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তার বাবার গলা কাটা মরদেহ দেখতে পান।

তিনি আরও বলেন, বন্দর উপজেলা থেকে এক গৃহকর্মী নিয়মিত তাদের বাসায় কাজ করতেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে তিনি বাসায় এসেছিলেন এবং পরে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে চলে যান। তবে এ সময়ের মধ্যে বাসায় অন্য কেউ এসেছিল কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. নাসিরউদ্দিন জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। পুলিশ অপরাধীদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রকল্প পরিচালককে গলা কেটে হত্যা

সময় ১০:১৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

নারায়ণগঞ্জ শহরের টানবাজার সাহাপাড়া এলাকায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রকল্প পরিচালক উৎপল রায়কে (৬২) গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে তার ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত উৎপল রায় টানবাজার এলাকার শংকর সাহার মালিকানাধীন সাততলা ভবনের চতুর্থ তলায় থাকতেন। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।

উৎপল রায়ের ছেলে উজ্জ্বল কুমার রায় জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাসায় এসে অনেক ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে দরজার লক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তার বাবার গলা কাটা মরদেহ দেখতে পান।

তিনি আরও বলেন, বন্দর উপজেলা থেকে এক গৃহকর্মী নিয়মিত তাদের বাসায় কাজ করতেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে তিনি বাসায় এসেছিলেন এবং পরে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে চলে যান। তবে এ সময়ের মধ্যে বাসায় অন্য কেউ এসেছিল কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. নাসিরউদ্দিন জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। পুলিশ অপরাধীদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।