ভারতে বসে প্রবাসী সরকার গঠনের পাঁয়তারা শেখ হাসিনার

- সময় ০৬:২৮:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪
- / 316
গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের ফলে শেখ হাসিনার সরকার পতন ঘটে। পরবর্তীতে তিনি ভারতে পালিয়ে গিয়ে বিমান বাহিনীর একটি উড়োজাহাজে আশ্রয় নেন। প্রথমে সেনা প্রধান এবং পরে তিন বাহিনীর প্রধানের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শেখ হাসিনার পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
তবে শেখ হাসিনা বরাবরই এ দাবি অস্বীকার করে আসছেন। যদিও একটি গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, তার কাছে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের কোনো লিখিত দলিল নেই। পালিয়ে যাওয়ার কারণে সর্বোচ্চ আদালতের পরামর্শ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দু-মাস পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ আসে যে প্রবাসী সরকার গঠনের পাঁয়তারা করছে আওয়ামী লীগ। এই খবরে ছাত্র আন্দোলনের নেতারা কুমিল্লায় ছুটে গিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন। ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ মিছিলে যোগ দিয়ে বলেন, “খুনি হাসিনা ভারতের ত্রিপুরায় বসে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন। তাই আমরা কুমিল্লা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এই বিক্ষোভ মিছিল বের করেছি।”
প্রবাসী সরকার গঠনের গুঞ্জনের সত্যতা জানতে চ্যানেল ২৪-এর সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রচার কমিটির সদস্য এবং শেখ পরিবারের সদস্য শেখ রুবেল কথা বলেন, যিনি নিজেও ভারতে পালিয়ে আছেন।
শেখ রুবেল দাবি করেন, আওয়ামী লীগ খুব শিগগিরই শেখ হাসিনাকে প্রধান করে ভারতের মাটিতে প্রবাসী সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। তিনি জানান, “রোববার ভারতে আমাদের একটি ভার্চুয়াল মিটিং হয়েছে। সেই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে প্রবাসী সরকার গঠনের প্রতিনিধিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এখনও সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।”
প্রবাসী সরকার গঠনের ক্ষেত্রে ভারত সরকারের অনুমতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে শেখ রুবেল তা এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, “দেখুন, তাদের সহযোগিতা ছাড়া আমাদের কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। তবে দুই দেশের সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আমরা কৌশলে এগিয়ে যাচ্ছি।”
এদিকে, প্রবাসী সরকার গঠনের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সিনিয়র কয়েকজন নেতা বিষয়টি সরাসরি স্বীকার না করলেও স্পষ্ট কিছু বলতে রাজি হননি।
শেয়ার করুন

ভারতে বসে প্রবাসী সরকার গঠনের পাঁয়তারা শেখ হাসিনার

গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের ফলে শেখ হাসিনার সরকার পতন ঘটে। পরবর্তীতে তিনি ভারতে পালিয়ে গিয়ে বিমান বাহিনীর একটি উড়োজাহাজে আশ্রয় নেন। প্রথমে সেনা প্রধান এবং পরে তিন বাহিনীর প্রধানের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শেখ হাসিনার পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
তবে শেখ হাসিনা বরাবরই এ দাবি অস্বীকার করে আসছেন। যদিও একটি গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, তার কাছে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের কোনো লিখিত দলিল নেই। পালিয়ে যাওয়ার কারণে সর্বোচ্চ আদালতের পরামর্শ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দু-মাস পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ আসে যে প্রবাসী সরকার গঠনের পাঁয়তারা করছে আওয়ামী লীগ। এই খবরে ছাত্র আন্দোলনের নেতারা কুমিল্লায় ছুটে গিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন। ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ মিছিলে যোগ দিয়ে বলেন, “খুনি হাসিনা ভারতের ত্রিপুরায় বসে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন। তাই আমরা কুমিল্লা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এই বিক্ষোভ মিছিল বের করেছি।”
প্রবাসী সরকার গঠনের গুঞ্জনের সত্যতা জানতে চ্যানেল ২৪-এর সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রচার কমিটির সদস্য এবং শেখ পরিবারের সদস্য শেখ রুবেল কথা বলেন, যিনি নিজেও ভারতে পালিয়ে আছেন।
শেখ রুবেল দাবি করেন, আওয়ামী লীগ খুব শিগগিরই শেখ হাসিনাকে প্রধান করে ভারতের মাটিতে প্রবাসী সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। তিনি জানান, “রোববার ভারতে আমাদের একটি ভার্চুয়াল মিটিং হয়েছে। সেই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে প্রবাসী সরকার গঠনের প্রতিনিধিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এখনও সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।”
প্রবাসী সরকার গঠনের ক্ষেত্রে ভারত সরকারের অনুমতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে শেখ রুবেল তা এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, “দেখুন, তাদের সহযোগিতা ছাড়া আমাদের কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। তবে দুই দেশের সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আমরা কৌশলে এগিয়ে যাচ্ছি।”
এদিকে, প্রবাসী সরকার গঠনের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সিনিয়র কয়েকজন নেতা বিষয়টি সরাসরি স্বীকার না করলেও স্পষ্ট কিছু বলতে রাজি হননি।