বাকশালকে শেখ হাসিনা নতুন আঙ্গিকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন: রিজভী | Bangla Affairs
০২:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাকশালকে শেখ হাসিনা নতুন আঙ্গিকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সময় ০৮:১৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০২৪
  • / 294

শেখ হাসিনা বাকশালকে নতুন আঙ্গিকে করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমরা তো দেখেছি, প্রধান বিচারপতিকে তরবারি উপহার দিচ্ছেন সাবেক গোয়েন্দা বাহিনীর প্রধান। ছাত্রলীগের ছেলেরা গিয়ে ফুল দিচ্ছে প্রধান বিচারপতিকে- এই ধরনের ঘটনার পৃথিবীতে কোথাও নজির আছে? অর্থাৎ এটাই হচ্ছে একদলীয় কর্তৃত্ববাদী সরকার।

কর্তৃত্ববাদী সরকার তার কর্তৃত্ব নিশ্চিত করতে গিয়ে আইন, বিচার ও প্রশাসনসহ সবকিছুকে একাকার করেছিলেন। শেখ হাসিনা ঠিক বাকশালকে নতুন আঙ্গিকে করেছিলেন।

তিনি বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনার শাসনকালে বিচারবিভাগের বিচারকরা অনেকেই রাজনীতিবিদদের মত কথা বলেছেন। সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের কথা শুনে মনে হতো, তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, না কী সুপ্রিম কোর্টের বিচারক। আমরা তারমধ্যে কোন পার্থক্য দেখতে পায়নি।

রিজভী বলেন, একদিকে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে অন্যদিকে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে নিশ্চিত করতে হবে। এই দু’টিকে সামনে রেখেই আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। প্রতিদিন সীমান্তে হত্যা হচ্ছে। একদিন দু’দিন পর পর ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্ত, লালমনিরহাটের সীমান্ত, হবিগঞ্জের সীমান্ত রক্তাক্ত হচ্ছে। ফেলানীর মত অনেক কিশোরীর লাশ কাঁটাতারের উপর ঝুলেছে। কিন্তু গত সরকার তার একটা প্রতিবাদ পর্যন্ত করতে পারেনি।

এসময় বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) জহুরুল হক, কর্নেল (অ.) তৌহিদ পাঠান, কর্নেল (অব.) আব্দুল হক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুল রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বাকশালকে শেখ হাসিনা নতুন আঙ্গিকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন: রিজভী

সময় ০৮:১৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০২৪

শেখ হাসিনা বাকশালকে নতুন আঙ্গিকে করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমরা তো দেখেছি, প্রধান বিচারপতিকে তরবারি উপহার দিচ্ছেন সাবেক গোয়েন্দা বাহিনীর প্রধান। ছাত্রলীগের ছেলেরা গিয়ে ফুল দিচ্ছে প্রধান বিচারপতিকে- এই ধরনের ঘটনার পৃথিবীতে কোথাও নজির আছে? অর্থাৎ এটাই হচ্ছে একদলীয় কর্তৃত্ববাদী সরকার।

কর্তৃত্ববাদী সরকার তার কর্তৃত্ব নিশ্চিত করতে গিয়ে আইন, বিচার ও প্রশাসনসহ সবকিছুকে একাকার করেছিলেন। শেখ হাসিনা ঠিক বাকশালকে নতুন আঙ্গিকে করেছিলেন।

তিনি বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনার শাসনকালে বিচারবিভাগের বিচারকরা অনেকেই রাজনীতিবিদদের মত কথা বলেছেন। সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের কথা শুনে মনে হতো, তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, না কী সুপ্রিম কোর্টের বিচারক। আমরা তারমধ্যে কোন পার্থক্য দেখতে পায়নি।

রিজভী বলেন, একদিকে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে অন্যদিকে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে নিশ্চিত করতে হবে। এই দু’টিকে সামনে রেখেই আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। প্রতিদিন সীমান্তে হত্যা হচ্ছে। একদিন দু’দিন পর পর ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্ত, লালমনিরহাটের সীমান্ত, হবিগঞ্জের সীমান্ত রক্তাক্ত হচ্ছে। ফেলানীর মত অনেক কিশোরীর লাশ কাঁটাতারের উপর ঝুলেছে। কিন্তু গত সরকার তার একটা প্রতিবাদ পর্যন্ত করতে পারেনি।

এসময় বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) জহুরুল হক, কর্নেল (অ.) তৌহিদ পাঠান, কর্নেল (অব.) আব্দুল হক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুল রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।