প্রেসিডেন্ট হিসেবে কি কি সুবিধা পাবেন ট্রাম্প !

- সময় ০৯:০৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪
- / 193
বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে পরিচিত আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। ক্ষমতা, প্রভাব ও আভিজাত্যে ভরপুর প্রেসিডেন্টের জীবন। জাতির শাসনকর্তা হওয়ায় এই পদে থাকা ব্যক্তির দায়িত্ব যেমন বিশাল, তেমনই তিনি সম্মান ও সুযোগ-সুবিধায় পরিপূর্ণ।
কিন্তু কতটা সম্মানী পান একজন প্রেসিডেন্ট ? মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের বেতন অনেক বেশি। বর্তমানে এই বেতন বছরে ৪,০০,০০০ ডলার বা চার কোটি ৭৮ লাখ টাকার মতো।
২০০১ সালে মার্কিন কংগ্রেস ট্রেজারি অ্যাপ্রোপিয়েশন বিলের একটি বিধানের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের এই বেতন নির্ধারণ করে। এর আগে, ১৯৬৯ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত এই বেতন ছিল ২,০০,০০০ ডলার।
তবে বেতন ছাড়াও আরও কিছু সুবিধা আছে প্রেসিডেন্টের জন্য। খরচের জন্য রয়েছে আলাদা ভাতা। তার মধ্যে ভ্রমণের জন্য বছরে এক লাখ ডলার, অন্যান্য ব্যয়ের জন্য ৫০ হাজার ডলার এবং বিনোদনের জন্য ১৯শ’ ডলার বরাদ্দ থাকে।

প্রেসিডেন্টের চলাচলের জন্য বিশেষ গাড়ি ও বিমানের ব্যবস্থা রয়েছে। তার যাতায়াতের জন্য লিমুজিন, মেরিন ওয়ান হেলিকপ্টার, এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমান এবং দ্য বিস্ট নামের বিশেষ গাড়ির ব্যবস্থাও আছে। এসব যানবাহনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অসাধারণ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
হোয়াইট হাউস সাজানোর জন্যও এক লাখ ডলার বরাদ্দ থাকে প্রেসিডেন্টের জন্য। তবে কিছু প্রেসিডেন্ট এ বরাদ্দ গ্রহণ করেন না বা কম গ্রহণ করেন। হোয়াইট হাউসের ভিতরে তারা নিজের পছন্দমতো সজ্জা করতে পারেন।
দায়িত্ব শেষ করার পরও সাবেক প্রেসিডেন্টরা অনেক সুবিধা পান। ১৯৫৮ সাল থেকে সাবেক প্রেসিডেন্টরা বছরে দুই লাখ ডলারের বেশি পেনশন পান। এছাড়া তাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যবিমাসহ বিভিন্ন সুবিধা অব্যাহত থাকে।
তবে সাবেক প্রেসিডেন্টরা কোনো ডিজাইনার পোশাক উপহার হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন না। একবার পরার পরই সেই পোশাক জাতীয় সংগ্রহশালায় জমা দিতে হয়।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব ছেড়ে দিলেও বক্তৃতা দেওয়া, বই বিক্রি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এইসব মাধ্যম থেকে অনেক সাবেক প্রেসিডেন্ট বিশাল পরিমাণে আয় করেছেন।
বিশ্বের সেই ক্ষমতাধর রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যিনি একজন ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। মূলত হোটেল ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি।
ফোর্বসের ‘রিয়েল টাইম ট্র্যাকার’ অনুসারে, ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন বিশ্বের ৩৫৭তম ধনী ব্যক্তি। তার সম্পদের পরিমাণ ৮০০ কোটি ডলার। গত ৫ জুন থেকে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির শেয়ার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় তার ভাগ্য খুলেছে। মঙ্গলবারে ট্রাম্প মিডিয়া অ্যান্ড টেকনোলজি গ্রুপের শেয়ার ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫১ দশমিক ৫১ শতাংশ হয়েছে।