প্যারোলে মুক্তি মেলেনি ছেলের, জেলগেটে বাবার লাশ

- সময় ০৪:৪০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪
- / 212
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার ৫নং বুরুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা রুবেল।
২৪’এর ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পাকুন্দিয়া থানায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক মামলায় গত ৩ নভেম্বর পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠায়। এদিকে হাজতি নাজমুল হুদা রুবেলের পিতা জিয়া উদ্দিন হার্ট এ্যাটাকে অসুস্থ হয়ে ঢাকার নিউরো সাইসেন্স হাসপাতালে ২৯ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনার সাথে সাথেই ৩০ ডিসেম্বর সোমবার বাদ আছর নিজ এলাকায় জানাজার নামাজে অংশ গ্রহণে হাজতীকে সাময়িক সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদন করেন তার আইনজীবী সুজিত কুমার দে।
এ ব্যাপারে, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) (অতিরিক্ত দায়িত্ব ) মিজাবে রহমত জানান, জেলা প্রশাসক আবেদনটি আমলে নিয়ে জেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসনে অবগত করলে জেলা গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি ঘটার সম্ভাবনা উল্লেখ করে জেল গেটে দেখার অনুমতি দেন। তাই, সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় মৃত বাবাকে শেষ বারের মতো দেখতে লাশ আনা হয় জেল গেটে।
শেয়ার করুন

প্যারোলে মুক্তি মেলেনি ছেলের, জেলগেটে বাবার লাশ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার ৫নং বুরুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা রুবেল।
২৪’এর ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পাকুন্দিয়া থানায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক মামলায় গত ৩ নভেম্বর পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠায়। এদিকে হাজতি নাজমুল হুদা রুবেলের পিতা জিয়া উদ্দিন হার্ট এ্যাটাকে অসুস্থ হয়ে ঢাকার নিউরো সাইসেন্স হাসপাতালে ২৯ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনার সাথে সাথেই ৩০ ডিসেম্বর সোমবার বাদ আছর নিজ এলাকায় জানাজার নামাজে অংশ গ্রহণে হাজতীকে সাময়িক সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদন করেন তার আইনজীবী সুজিত কুমার দে।
এ ব্যাপারে, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) (অতিরিক্ত দায়িত্ব ) মিজাবে রহমত জানান, জেলা প্রশাসক আবেদনটি আমলে নিয়ে জেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসনে অবগত করলে জেলা গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি ঘটার সম্ভাবনা উল্লেখ করে জেল গেটে দেখার অনুমতি দেন। তাই, সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় মৃত বাবাকে শেষ বারের মতো দেখতে লাশ আনা হয় জেল গেটে।