ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি সংকটে দুই বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 141

ছবি সংগৃহীত

দেশের জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে দুই বিলিয়ন ডলার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি এককভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব নয়, প্রয়োজন সমন্বিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ও দ্রুত পদক্ষেপ।

বুধবার এশিয়া শূন্য নির্গমন কমিউনিটি প্লাস অনলাইন সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি সতর্ক করে জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট বহু দেশের অর্থনীতিকে চাপে ফেলছে এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলো এতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন সহযোগীদের এখনই কার্যকর সাড়া দেওয়া জরুরি। তার মতে, দেরি হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়বে। একই সঙ্গে আঞ্চলিকভাবে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সরকারের নেওয়া স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি জানান, সরকারি দপ্তরের সময়সূচি সমন্বয়, জরুরি জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি, রেশনিং ব্যবস্থা এবং খুচরা বাজারে নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মজুতদারি ও অস্বাভাবিক চাহিদা নিয়ন্ত্রণে ডিজিটাল জ্বালানি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকটের অভিঘাত অনেক ক্ষেত্রে উনিশ শতকের দশকের বৈশ্বিক সংকটের চেয়েও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, যা উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে পিছিয়ে দিতে পারে।

সম্মেলনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমসহ জাপান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও পূর্ব তিমুরের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা অংশ নেন। সমাপনী বক্তব্য দেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।

প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবন থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জ্বালানি সংকটে দুই বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

দেশের জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে দুই বিলিয়ন ডলার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি এককভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব নয়, প্রয়োজন সমন্বিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ও দ্রুত পদক্ষেপ।

বুধবার এশিয়া শূন্য নির্গমন কমিউনিটি প্লাস অনলাইন সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি সতর্ক করে জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট বহু দেশের অর্থনীতিকে চাপে ফেলছে এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলো এতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন সহযোগীদের এখনই কার্যকর সাড়া দেওয়া জরুরি। তার মতে, দেরি হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়বে। একই সঙ্গে আঞ্চলিকভাবে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সরকারের নেওয়া স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি জানান, সরকারি দপ্তরের সময়সূচি সমন্বয়, জরুরি জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি, রেশনিং ব্যবস্থা এবং খুচরা বাজারে নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মজুতদারি ও অস্বাভাবিক চাহিদা নিয়ন্ত্রণে ডিজিটাল জ্বালানি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকটের অভিঘাত অনেক ক্ষেত্রে উনিশ শতকের দশকের বৈশ্বিক সংকটের চেয়েও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, যা উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে পিছিয়ে দিতে পারে।

সম্মেলনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমসহ জাপান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও পূর্ব তিমুরের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা অংশ নেন। সমাপনী বক্তব্য দেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।

প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবন থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন।