ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে | Bangla Affairs
০১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে

নিউজ ডেস্ক
  • সময় ০৯:৫১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪
  • / 385

ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে

আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যেখানে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বুধবার প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে সরকার জানায়, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় বিশেষ করে গত ১৫ বছরে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগ হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন, গণরুমে নিপীড়ন, ছাত্রাবাসে সিট বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণসহ নানা জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এসব ঘটনার প্রমাণ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং আদালতে কিছু ঘটনায় অপরাধও প্রমাণিত হয়েছে। বিশেষ করে, ১৫ জুলাই থেকে চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলায় বহু শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ নিহত ও আহত হয়েছে।

সরকারের কাছে পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে যে, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও ছাত্রলীগ ষড়যন্ত্রমূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ‘সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯’ এর ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) অনুযায়ী বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘোষণার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়, যেমন: “এই মুহূর্তে খবর এলো, ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হলো”, “ক্যাম্পাস সন্ত্রাসমুক্ত হলো”, এবং “সন্ত্রাসী লীগ নিষিদ্ধ হলো।”

শেয়ার করুন

ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে

সময় ০৯:৫১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪

আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যেখানে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বুধবার প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে সরকার জানায়, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় বিশেষ করে গত ১৫ বছরে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগ হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন, গণরুমে নিপীড়ন, ছাত্রাবাসে সিট বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণসহ নানা জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এসব ঘটনার প্রমাণ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং আদালতে কিছু ঘটনায় অপরাধও প্রমাণিত হয়েছে। বিশেষ করে, ১৫ জুলাই থেকে চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলায় বহু শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ নিহত ও আহত হয়েছে।

সরকারের কাছে পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে যে, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও ছাত্রলীগ ষড়যন্ত্রমূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ‘সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯’ এর ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) অনুযায়ী বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘোষণার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়, যেমন: “এই মুহূর্তে খবর এলো, ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হলো”, “ক্যাম্পাস সন্ত্রাসমুক্ত হলো”, এবং “সন্ত্রাসী লীগ নিষিদ্ধ হলো।”