কুয়াকাটায় মহাসড়ক দখল করে ব্যবসা, ভোগান্তিতে পর্যটক | Bangla Affairs
১২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুয়াকাটায় মহাসড়ক দখল করে ব্যবসা, ভোগান্তিতে পর্যটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
  • সময় ০৫:১১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / 4

কুয়াকাটায় মহাসড়ক দখল করে ব্যবসা, ভোগান্তিতে পর্যটক

কুয়াকাটার মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী দোকানপাট, যা যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে পর্যটকদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হোটেল পর্যটন ইয়ুথ ইন থেকে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য ছোট দোকান গড়ে উঠেছে। এসব দোকানের মধ্যে রয়েছে চায়ের দোকান, স্ট্রিট ফুডের দোকান, বাস কাউন্টার, ফলের দোকান, মুদি ও মনোহারি দোকান। বিশেষ করে বায়তুল আরজ এসি মসজিদের সামনে ও রাস্তার অপর পাশে দোকানিদের মালামাল রাস্তার ওপর রাখায় চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

চৌরাস্তা থেকে সি-বিচ পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে খাবারের হোটেল, ঝিনুকের দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন দোকান বসানো হচ্ছে, যার ফলে যানজট আরও তীব্র হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে এই যানজট পর্যটকদের চরম ভোগান্তিতে ফেলছে। পথচারীরাও হাঁটার জায়গা না পেয়ে দুর্ভোগে পড়ছেন।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক জুবায়ের হোসেন বলেন, “কুয়াকাটার মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় ঈদের ছুটিতে প্রচুর ভিড় হয়, কিন্তু অব্যবস্থাপনার কারণে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। মহাসড়কের দুপাশ দখল করে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে চৌরাস্তার নিচের অংশে সবসময় যানজট লেগে থাকে। হাঁটার সুযোগ পর্যন্ত নেই। দ্রুত প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

একই অভিযোগ করেন ঢাকা থেকে আসা আরেক পর্যটক রাকিবুল হাসান সাগরও। তিনি জানান, মহাসড়ক দখল হয়ে যাওয়ায় যানজট অসহনীয় হয়ে উঠেছে, যা পর্যটন অভিজ্ঞতাকে নষ্ট করছে।

কুয়াকাটার পর্যটন অবকাঠামো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

 

শেয়ার করুন

কুয়াকাটায় মহাসড়ক দখল করে ব্যবসা, ভোগান্তিতে পর্যটক

সময় ০৫:১১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

কুয়াকাটার মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী দোকানপাট, যা যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে পর্যটকদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হোটেল পর্যটন ইয়ুথ ইন থেকে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য ছোট দোকান গড়ে উঠেছে। এসব দোকানের মধ্যে রয়েছে চায়ের দোকান, স্ট্রিট ফুডের দোকান, বাস কাউন্টার, ফলের দোকান, মুদি ও মনোহারি দোকান। বিশেষ করে বায়তুল আরজ এসি মসজিদের সামনে ও রাস্তার অপর পাশে দোকানিদের মালামাল রাস্তার ওপর রাখায় চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

চৌরাস্তা থেকে সি-বিচ পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে খাবারের হোটেল, ঝিনুকের দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন দোকান বসানো হচ্ছে, যার ফলে যানজট আরও তীব্র হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে এই যানজট পর্যটকদের চরম ভোগান্তিতে ফেলছে। পথচারীরাও হাঁটার জায়গা না পেয়ে দুর্ভোগে পড়ছেন।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক জুবায়ের হোসেন বলেন, “কুয়াকাটার মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় ঈদের ছুটিতে প্রচুর ভিড় হয়, কিন্তু অব্যবস্থাপনার কারণে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। মহাসড়কের দুপাশ দখল করে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে চৌরাস্তার নিচের অংশে সবসময় যানজট লেগে থাকে। হাঁটার সুযোগ পর্যন্ত নেই। দ্রুত প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

একই অভিযোগ করেন ঢাকা থেকে আসা আরেক পর্যটক রাকিবুল হাসান সাগরও। তিনি জানান, মহাসড়ক দখল হয়ে যাওয়ায় যানজট অসহনীয় হয়ে উঠেছে, যা পর্যটন অভিজ্ঞতাকে নষ্ট করছে।

কুয়াকাটার পর্যটন অবকাঠামো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।