ঢাকা ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তথ্য কর্মকর্তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার তাগিদ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • / 148

তথ্যমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

ডিজিটাল যুগে ভুল তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি প্রতিরোধে দেশের তথ্য কর্মকর্তাদের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই (AI) বিষয়ে সঠিক ও বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।

রবিবার (২৪ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত জনসংযোগ কর্মকর্তাদের এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তারা এই নির্দেশনা দেন। দুই মন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান যুগে তথ্যের সঠিকতা যাচাই বা ফ্যাক্ট চেকিংয়ের ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির অভূতপূর্ব অগ্রগতির ফলে তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রচারের সনাতন মাধ্যমগুলোতে এক বিশাল পরিবর্তন এসেছে। আধুনিক এই প্রযুক্তির যুগে গুজব ও প্রোপাগান্ডা রুখে দিয়ে মাঠপর্যায়ে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিখুঁতভাবে জনগণের সামনে উপস্থাপন করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

মূলত তথ্য কর্মকর্তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার তাগিদ শিরোনামের এই সময়োপযোগী নির্দেশনাটি দেশের তথ্য ইকোসিস্টেমকে আরও সুরক্ষিত ও আধুনিক করতে সাহায্য করবে। সচিবালয়ের অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্র ও জনগণের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরিতে নিয়োজিত জনসংযোগ কর্মকর্তাদের কাজের পরিধি এখন আর কেবল প্রেস রিলিজের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে তথ্য কর্মকর্তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার তাগিদ দেওয়ার মূল কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন যে, তথ্যের জগৎ এখন আর প্রথাগত নিয়ন্ত্রণের গণ্ডিতে আটকে নেই। পেশাগত সাফল্যের স্বার্থেই কর্মকর্তাদের বর্তমান ইনফরমেশন ইকোসিস্টেমের গতিপ্রকৃতি খুব গভীরভাবে অনুধাবন করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী তথ্য সরবরাহ সচল রাখতে হবে।

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন ভার্চুয়াল মাধ্যমে তথ্যের অবাধ প্রবাহের কারণে জনসংযোগের পুরো ধরনটিই ডিজিটাল রূপ নিয়েছে। বর্তমানে তথ্য কর্মকর্তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার তাগিদ দেওয়ার পাশাপাশি অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর পরিষ্কার ধারণা রাখার নির্দেশ দেন। পরিশেষে বলা যায়, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে জনগণের মনস্তত্ত্ব বা ‘পাবলিক সাইকোগ্রাফি’ কীভাবে কাজ করে তা সঠিকভাবে অনুধাবন করে সমাজ ও দেশ গঠনে কর্মকর্তাদের যৌথভাবে অবদান রাখতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তথ্য কর্মকর্তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার তাগিদ

সর্বশেষ আপডেট ১২:১৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

ডিজিটাল যুগে ভুল তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি প্রতিরোধে দেশের তথ্য কর্মকর্তাদের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই (AI) বিষয়ে সঠিক ও বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।

রবিবার (২৪ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত জনসংযোগ কর্মকর্তাদের এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তারা এই নির্দেশনা দেন। দুই মন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান যুগে তথ্যের সঠিকতা যাচাই বা ফ্যাক্ট চেকিংয়ের ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির অভূতপূর্ব অগ্রগতির ফলে তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রচারের সনাতন মাধ্যমগুলোতে এক বিশাল পরিবর্তন এসেছে। আধুনিক এই প্রযুক্তির যুগে গুজব ও প্রোপাগান্ডা রুখে দিয়ে মাঠপর্যায়ে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিখুঁতভাবে জনগণের সামনে উপস্থাপন করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

মূলত তথ্য কর্মকর্তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার তাগিদ শিরোনামের এই সময়োপযোগী নির্দেশনাটি দেশের তথ্য ইকোসিস্টেমকে আরও সুরক্ষিত ও আধুনিক করতে সাহায্য করবে। সচিবালয়ের অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্র ও জনগণের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরিতে নিয়োজিত জনসংযোগ কর্মকর্তাদের কাজের পরিধি এখন আর কেবল প্রেস রিলিজের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে তথ্য কর্মকর্তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার তাগিদ দেওয়ার মূল কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন যে, তথ্যের জগৎ এখন আর প্রথাগত নিয়ন্ত্রণের গণ্ডিতে আটকে নেই। পেশাগত সাফল্যের স্বার্থেই কর্মকর্তাদের বর্তমান ইনফরমেশন ইকোসিস্টেমের গতিপ্রকৃতি খুব গভীরভাবে অনুধাবন করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী তথ্য সরবরাহ সচল রাখতে হবে।

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন ভার্চুয়াল মাধ্যমে তথ্যের অবাধ প্রবাহের কারণে জনসংযোগের পুরো ধরনটিই ডিজিটাল রূপ নিয়েছে। বর্তমানে তথ্য কর্মকর্তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার তাগিদ দেওয়ার পাশাপাশি অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর পরিষ্কার ধারণা রাখার নির্দেশ দেন। পরিশেষে বলা যায়, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে জনগণের মনস্তত্ত্ব বা ‘পাবলিক সাইকোগ্রাফি’ কীভাবে কাজ করে তা সঠিকভাবে অনুধাবন করে সমাজ ও দেশ গঠনে কর্মকর্তাদের যৌথভাবে অবদান রাখতে হবে।