ঢাকা ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিরোধীদলীয় নেতার

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৫০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • / 25

ডা. শফিকুর রহমান

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের আপামর জনগণকে আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ রবিবার (২৪ মে) এক বিশেষ বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এই শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি ত্যাগের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সামাজিক বৈষম্যহীন এক ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের আহ্বান জানান। একই সাথে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া ও আত্মগোপনে থাকা ফ্যাসিবাদী শক্তির সকল অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রুখে দিতে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার তাগিদ দেন তিনি।

মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক উৎসবমুখর ও সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। উৎসবের এই আনন্দঘন মুহূর্তে সমাজের প্রতিটি স্তরে শান্তি ও সমতা প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়েছেন শীর্ষ নেতৃত্ব।

মূলত দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে আসার এই খবরটি আজ দুপুর থেকেই রাজনৈতিক মহলে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। ডা. শফিকুর রহমান তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন যে, হযরত ইব্রাহিম (আ.) এবং তাঁর পরিবারের মহান কোরবানি আমাদের আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সবকিছু উৎসর্গ করার চেতনা জাগ্রত করে।

ধর্মীয় উৎসবের মূল দর্শনকে ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ফুটিয়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বর্তমানে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে দেওয়ার পাশাপাশি বলা হয়েছে, ত্যাগ ও কোরবানির মানসিকতা নিয়ে সমাজকে শোষণমুক্ত করা সম্ভব। তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে হলে ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করা এবং জানমালের কোরবানি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় জনগণকে সর্বদা সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিরোধীদলীয় আমিরের তরফ থেকে প্রচারের পর জানা গেছে, স্বৈরাচারী শক্তি দেশ থেকে পালালেও তাদের চক্রান্ত এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

পরিশেষে বলা যায়, বিদেশে ও দেশের ভেতরে আত্মগোপনে থাকা অপশক্তিগুলো যেন কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য একটি পূর্ণাঙ্গ মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত দেশবাসীকে আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিরোধীদলীয় নেতার

সর্বশেষ আপডেট ০২:৫০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের আপামর জনগণকে আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ রবিবার (২৪ মে) এক বিশেষ বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এই শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি ত্যাগের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সামাজিক বৈষম্যহীন এক ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের আহ্বান জানান। একই সাথে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া ও আত্মগোপনে থাকা ফ্যাসিবাদী শক্তির সকল অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রুখে দিতে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার তাগিদ দেন তিনি।

মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক উৎসবমুখর ও সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। উৎসবের এই আনন্দঘন মুহূর্তে সমাজের প্রতিটি স্তরে শান্তি ও সমতা প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়েছেন শীর্ষ নেতৃত্ব।

মূলত দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে আসার এই খবরটি আজ দুপুর থেকেই রাজনৈতিক মহলে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। ডা. শফিকুর রহমান তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন যে, হযরত ইব্রাহিম (আ.) এবং তাঁর পরিবারের মহান কোরবানি আমাদের আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সবকিছু উৎসর্গ করার চেতনা জাগ্রত করে।

ধর্মীয় উৎসবের মূল দর্শনকে ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ফুটিয়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বর্তমানে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে দেওয়ার পাশাপাশি বলা হয়েছে, ত্যাগ ও কোরবানির মানসিকতা নিয়ে সমাজকে শোষণমুক্ত করা সম্ভব। তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে হলে ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করা এবং জানমালের কোরবানি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় জনগণকে সর্বদা সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিরোধীদলীয় আমিরের তরফ থেকে প্রচারের পর জানা গেছে, স্বৈরাচারী শক্তি দেশ থেকে পালালেও তাদের চক্রান্ত এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

পরিশেষে বলা যায়, বিদেশে ও দেশের ভেতরে আত্মগোপনে থাকা অপশক্তিগুলো যেন কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য একটি পূর্ণাঙ্গ মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত দেশবাসীকে আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।