ঘুমধুমে স্থলবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে

- সময় ০৪:২১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
- / 49
বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি মিয়ানমার সীমান্ত সড়ক ও ঘুমধুম স্থলবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম. সাখাওয়াত হোসেন। স্থলবন্দরটি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় ঘুমধুম সীমান্ত সড়ক ও স্থলবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই পরিদর্শনে আছেন তিনি। এর পর দুপুর ১২ টায় টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শনে যান।
এম. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “সীমান্ত সড়ক পরিদর্শন করে দেখেছি। সীমান্তের বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। ঘুমধুমে স্থলবন্দর নির্মাণের স্থান ও সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে, এবং সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে এখানে একটি বন্দর নির্মাণ করার।”
তিনি আরও জানান, “মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের ভবিষ্যত সম্পর্কের দিকে নজর রাখছে সরকার। রাখাইন রাজ্যের সাথে আগের মতো সুসম্পর্ক স্থাপন করা হচ্ছে।”
এম. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সাথে স্থলপথে ব্যবসা-বাণিজ্য করার জন্য নৌপথের চেয়ে অনেক সুবিধাজনক। কক্সবাজার থেকে ঘুমধুম হয়ে সিতওয়ে পর্যন্ত দীর্ঘ সংযোগ সড়ক রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারের সুযোগ তৈরি করবে।”
তিনি আরও জানান, “টেকনাফ স্থলবন্দর মিয়ানমারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল, তবে রাখাইন রাজ্যের অস্থিরতার কারণে কিছুটা ঘাটতি হয়েছিল। রাখাইন স্বাভাবিক হলে বাণিজ্যও স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।”
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে, টেকনাফ স্থলবন্দরকে নৌবন্দর হিসেবে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রয়োজনে এটি চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটির (চিপিএ) অধীনে হতে পারে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মানজারুল মান্নান, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবদুল্লাহ ইয়ামিন, কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্নেল মো. ফারুক হোসেন খান এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।
শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ
-
সর্বাধিক
Devoloped By: InnoSoln Limited