০৮:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ভেরি ভেরি স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড ম্যান

সেনাপ্রধান কোনো কথা না বুঝে বলেননি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সময় ০৫:২১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  • / 82

শ্রম উপদেষ্টা বিগ্রে. (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন

সেনাপ্রধান কোনো কথা না বুঝে বলেননি; তিনি ভেরি ভেরি স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড ম্যান এবং তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়া আমার দায়িত্ব নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন হলে আয়োজিত বিশেষ এক অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধানের বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আজ (২৭ ফেব্রুয়ারি) বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “সেনাপ্রধান যা বলেছেন, তা ভেবে-চিন্তেই বলেছেন। আমি যতটুকু তাকে চিনি, তিনি অত্যন্ত সরাসরি কথা বলা ব্যক্তি। যা বলার, তিনি স্পষ্টভাবেই বলেন। তবে, তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়া আমার দায়িত্ব নয়।”

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান সতর্ক করে বলেন, যদি আমরা নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি, মারামারি এবং কাটাকাটি করি, তবে দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হতে পারে। তিনি আরও বলেন, “এটি আমাদের সবার দেশ, আমরা সবাই সুখে এবং শান্তিতে থাকতে চাই, হানাহানি এবং মারামারি চাই না।”
এ প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সেনাবাহিনীর প্রধান তার বাহিনী পরিচালনা করেন এবং তিনি কখনও কোনো কথা না বুঝে বলেন না। তিনি বলেন, “যে কথা তিনি বলেন, তা সোজাসুজি বলার মতো একজন মানুষ। আমি উনাকে খুবই সম্মান করি।”
সেনাপ্রধানের বক্তব্যের ব্যাখ্যা সম্পর্কে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “উনি যা বলেছেন, সেটা ব্যাখ্যা আমি দেব না, সেটা উনি নিজেই দিতে পারবেন।”
একই সঙ্গে তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টাকে যেভাবে সম্বোধন করা হয়েছে, সে বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে সাংবাদিকদের উনার কাছে প্রশ্ন করার পরামর্শ দেন।

এছাড়া, বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের বন্ধ হওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ বিষয়ে তিনি বলেন, “বেক্সিমকোর ১৪টি পোশাক কারখানা বন্ধ হওয়ায় শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের জন্য সরকার ৫২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এর মধ্যে ৩২৫ কোটি টাকা অর্থ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে দেবে এবং বাকি ২০০ কোটি টাকা শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হবে। আগামী ৯ মার্চ থেকে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ শুরু হবে।”

তিনি আরও জানান, বেক্সিমকোর যেসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

ভেরি ভেরি স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড ম্যান

সেনাপ্রধান কোনো কথা না বুঝে বলেননি

সময় ০৫:২১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

সেনাপ্রধান কোনো কথা না বুঝে বলেননি; তিনি ভেরি ভেরি স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড ম্যান এবং তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়া আমার দায়িত্ব নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন হলে আয়োজিত বিশেষ এক অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধানের বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আজ (২৭ ফেব্রুয়ারি) বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “সেনাপ্রধান যা বলেছেন, তা ভেবে-চিন্তেই বলেছেন। আমি যতটুকু তাকে চিনি, তিনি অত্যন্ত সরাসরি কথা বলা ব্যক্তি। যা বলার, তিনি স্পষ্টভাবেই বলেন। তবে, তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়া আমার দায়িত্ব নয়।”

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান সতর্ক করে বলেন, যদি আমরা নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি, মারামারি এবং কাটাকাটি করি, তবে দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হতে পারে। তিনি আরও বলেন, “এটি আমাদের সবার দেশ, আমরা সবাই সুখে এবং শান্তিতে থাকতে চাই, হানাহানি এবং মারামারি চাই না।”
এ প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সেনাবাহিনীর প্রধান তার বাহিনী পরিচালনা করেন এবং তিনি কখনও কোনো কথা না বুঝে বলেন না। তিনি বলেন, “যে কথা তিনি বলেন, তা সোজাসুজি বলার মতো একজন মানুষ। আমি উনাকে খুবই সম্মান করি।”
সেনাপ্রধানের বক্তব্যের ব্যাখ্যা সম্পর্কে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “উনি যা বলেছেন, সেটা ব্যাখ্যা আমি দেব না, সেটা উনি নিজেই দিতে পারবেন।”
একই সঙ্গে তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টাকে যেভাবে সম্বোধন করা হয়েছে, সে বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে সাংবাদিকদের উনার কাছে প্রশ্ন করার পরামর্শ দেন।

এছাড়া, বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের বন্ধ হওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ বিষয়ে তিনি বলেন, “বেক্সিমকোর ১৪টি পোশাক কারখানা বন্ধ হওয়ায় শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের জন্য সরকার ৫২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এর মধ্যে ৩২৫ কোটি টাকা অর্থ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে দেবে এবং বাকি ২০০ কোটি টাকা শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হবে। আগামী ৯ মার্চ থেকে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ শুরু হবে।”

তিনি আরও জানান, বেক্সিমকোর যেসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।