ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধের দাবি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / 263

২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধের দাবি

সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালে ‘শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের দাবি, প্রতিবেদনটিতে অসত্য, বিভ্রান্তিকর, অসঙ্গতিপূর্ণ ও মনগড়া তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির সভাপতি প্রফেসর ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, ওই প্রতিবেদনের তথ্য যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই না করেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষককে ঘিরে তদন্ত বা তথাকথিত ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।

শুধু একটি সংবাদ প্রতিবেদন কিংবা অসমর্থিত অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো শিক্ষককে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড বা কোনো ধরনের ‘গোপন তৎপরতার’ সঙ্গে সম্পৃক্ত করা ন্যায়সংগত নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে প্রশাসনিক হয়রানি বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি করা হলে তা ন্যায়বিচার, প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ এ ধরনের উদ্যোগে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সংগঠনটি একটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-সমাজের অধিকার, মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও একাডেমিক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এসব কর্মকাণ্ড প্রকাশ্য ও সাংগঠনিক; এগুলোকে ‘গোপন তৎপরতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

আমরা মনে করি, একজন শিক্ষকের রাজনৈতিক মতাদর্শ, অতীতের রাজনৈতিক অবস্থান কিংবা ব্যক্তিগত মতপার্থক্য কখনোই তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার যথেষ্ট কারণ হতে পারে না। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা অবশ্যই নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে এবং অভিযোগের পক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ থাকতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হলে তা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির পরিপন্থী হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মুক্তচিন্তা, জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, যুক্তিবোধ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। শিক্ষকরা যদি রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শের কারণে ভয়, চাপ, হয়রানি কিংবা চাকরির অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকেন, তাহলে এর ক্ষতিকর প্রভাব শুধু শিক্ষকসমাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; শিক্ষার্থী, গবেষণা কার্যক্রম, একাডেমিক পরিবেশ এবং দেশের সামগ্রিক জ্ঞানচর্চাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এ অবস্থায় বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ নিম্নোক্ত দাবি জানাচ্ছে;

১. ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ কিংবা অতীতের রাজনৈতিক অবস্থানকে ভিত্তি করে পরিচালিত সব ধরনের তদন্ত ও শাস্তিমূলক কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

২. ভিত্তিহীন, অসত্য ও যাচাই-বাছাইহীন সংবাদ বা অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত তদন্ত ও তথাকথিত ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’ বাতিল করতে হবে।

৩. কোনো সংবাদ প্রতিবেদনকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা না করে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও প্রমাণভিত্তিক যাচাই নিশ্চিত করতে হবে।

৪. কোনো শিক্ষকের রাজনৈতিক মতাদর্শ, ব্যক্তিগত মতামত বা অতীতের রাজনৈতিক অবস্থানকে তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ভিত্তি করা যাবে না।

৫. শিক্ষকদের সাংবিধানিক অধিকার, একাডেমিক স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, পেশাগত মর্যাদা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে হবে।

৬. বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভয়ভীতি, হয়রানি, প্রশাসনিক চাপ ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবেশ বন্ধ করে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।

আমরা দেশের সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সুশীল সমাজ, মানবাধিকারকর্মী, দেশের বাইরে অবস্থানরত শিক্ষক-গবেষক এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষকসমাজের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি; ভিত্তিহীন অভিযোগ বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে যেন কোনো শিক্ষক হয়রানি ও নিপীড়নের শিকার না হন, সে বিষয়ে আপনারা সোচ্চার হোন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যায়বিচার, একাডেমিক স্বাধীনতা, শিক্ষকতার মর্যাদা এবং নিরাপদ জ্ঞানচর্চার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধের দাবি

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালে ‘শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের দাবি, প্রতিবেদনটিতে অসত্য, বিভ্রান্তিকর, অসঙ্গতিপূর্ণ ও মনগড়া তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির সভাপতি প্রফেসর ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, ওই প্রতিবেদনের তথ্য যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই না করেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষককে ঘিরে তদন্ত বা তথাকথিত ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।

শুধু একটি সংবাদ প্রতিবেদন কিংবা অসমর্থিত অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো শিক্ষককে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড বা কোনো ধরনের ‘গোপন তৎপরতার’ সঙ্গে সম্পৃক্ত করা ন্যায়সংগত নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে প্রশাসনিক হয়রানি বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি করা হলে তা ন্যায়বিচার, প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ এ ধরনের উদ্যোগে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সংগঠনটি একটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-সমাজের অধিকার, মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও একাডেমিক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এসব কর্মকাণ্ড প্রকাশ্য ও সাংগঠনিক; এগুলোকে ‘গোপন তৎপরতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

আমরা মনে করি, একজন শিক্ষকের রাজনৈতিক মতাদর্শ, অতীতের রাজনৈতিক অবস্থান কিংবা ব্যক্তিগত মতপার্থক্য কখনোই তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার যথেষ্ট কারণ হতে পারে না। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা অবশ্যই নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে এবং অভিযোগের পক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ থাকতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হলে তা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির পরিপন্থী হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মুক্তচিন্তা, জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, যুক্তিবোধ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। শিক্ষকরা যদি রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শের কারণে ভয়, চাপ, হয়রানি কিংবা চাকরির অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকেন, তাহলে এর ক্ষতিকর প্রভাব শুধু শিক্ষকসমাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; শিক্ষার্থী, গবেষণা কার্যক্রম, একাডেমিক পরিবেশ এবং দেশের সামগ্রিক জ্ঞানচর্চাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এ অবস্থায় বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ নিম্নোক্ত দাবি জানাচ্ছে;

১. ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ কিংবা অতীতের রাজনৈতিক অবস্থানকে ভিত্তি করে পরিচালিত সব ধরনের তদন্ত ও শাস্তিমূলক কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

২. ভিত্তিহীন, অসত্য ও যাচাই-বাছাইহীন সংবাদ বা অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত তদন্ত ও তথাকথিত ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’ বাতিল করতে হবে।

৩. কোনো সংবাদ প্রতিবেদনকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা না করে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও প্রমাণভিত্তিক যাচাই নিশ্চিত করতে হবে।

৪. কোনো শিক্ষকের রাজনৈতিক মতাদর্শ, ব্যক্তিগত মতামত বা অতীতের রাজনৈতিক অবস্থানকে তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ভিত্তি করা যাবে না।

৫. শিক্ষকদের সাংবিধানিক অধিকার, একাডেমিক স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, পেশাগত মর্যাদা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে হবে।

৬. বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভয়ভীতি, হয়রানি, প্রশাসনিক চাপ ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবেশ বন্ধ করে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।

আমরা দেশের সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সুশীল সমাজ, মানবাধিকারকর্মী, দেশের বাইরে অবস্থানরত শিক্ষক-গবেষক এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষকসমাজের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি; ভিত্তিহীন অভিযোগ বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে যেন কোনো শিক্ষক হয়রানি ও নিপীড়নের শিকার না হন, সে বিষয়ে আপনারা সোচ্চার হোন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যায়বিচার, একাডেমিক স্বাধীনতা, শিক্ষকতার মর্যাদা এবং নিরাপদ জ্ঞানচর্চার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।