ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হজের কোটা শেষ, আরও ২০ হাজারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:০২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 139

পবিত্র হজ

২০২৭ সালের হজের জন্য বাংলাদেশের নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পূর্ণ হয়ে গেছে। তবে এখনো ২০ হাজারের বেশি মানুষ হজে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। এ অবস্থায় সৌদি সরকারের কাছে অতিরিক্ত ২০ হাজার হজ কোটা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার। এ সময় সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই ২০২৭ সালের হজের কোটা পূরণ হয়ে গেছে। এরপরও ২০ হাজারের বেশি মানুষ নিবন্ধনের সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাদের অনেকেই হজ পালনের জন্য আর্থিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন।

তিনি বলেন, অনেক পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিবন্ধনের সুযোগ পেলেও একই পরিবারের অন্যরা কোটা পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নিবন্ধন করতে পারেননি। বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে সৌদি সরকারের কাছে অতিরিক্ত কোটা চাওয়া প্রয়োজন।

হাব মহাসচিব জানান, বাংলাদেশের জন্য মূল হজ কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হজযাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় ২০২৭ সালের জন্য সৌদি সরকার ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করেছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর নিবন্ধনের সময় শেষ হওয়ার আগেই সেই কোটা পূর্ণ হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, কোটা পূরণের পরও অনেকে হজের জন্য টাকা জমা দেন। নিবন্ধন সম্পন্ন করতে গত শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা রাখা হলেও সার্ভার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টাকা জমা দেওয়ার পরও প্রায় ১৭ হাজার ব্যক্তি নিবন্ধন শেষ করতে পারেননি বলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, বাংলাদেশের মূল কোটার বিবেচনায় অতিরিক্ত ২০ হাজার কোটা পাওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে। এ বিষয়ে সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি জানান, অতিরিক্ত কোটা বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে হাবের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, অতিরিক্ত কোটা বাড়ানোর প্রস্তাব সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

হাব মহাসচিব আশা প্রকাশ করেন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী সৌদি সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে অপেক্ষমাণ হজযাত্রীদের জন্য অতিরিক্ত কোটা পাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সমাধান আসতে পারে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে (৯ জিলহজ ১৪৪৮ হিজরি) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হজের কোটা শেষ, আরও ২০ হাজারের দাবি

সর্বশেষ আপডেট ০৮:০২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৭ সালের হজের জন্য বাংলাদেশের নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পূর্ণ হয়ে গেছে। তবে এখনো ২০ হাজারের বেশি মানুষ হজে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। এ অবস্থায় সৌদি সরকারের কাছে অতিরিক্ত ২০ হাজার হজ কোটা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার। এ সময় সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই ২০২৭ সালের হজের কোটা পূরণ হয়ে গেছে। এরপরও ২০ হাজারের বেশি মানুষ নিবন্ধনের সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাদের অনেকেই হজ পালনের জন্য আর্থিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন।

তিনি বলেন, অনেক পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিবন্ধনের সুযোগ পেলেও একই পরিবারের অন্যরা কোটা পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নিবন্ধন করতে পারেননি। বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে সৌদি সরকারের কাছে অতিরিক্ত কোটা চাওয়া প্রয়োজন।

হাব মহাসচিব জানান, বাংলাদেশের জন্য মূল হজ কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হজযাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় ২০২৭ সালের জন্য সৌদি সরকার ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করেছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর নিবন্ধনের সময় শেষ হওয়ার আগেই সেই কোটা পূর্ণ হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, কোটা পূরণের পরও অনেকে হজের জন্য টাকা জমা দেন। নিবন্ধন সম্পন্ন করতে গত শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা রাখা হলেও সার্ভার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টাকা জমা দেওয়ার পরও প্রায় ১৭ হাজার ব্যক্তি নিবন্ধন শেষ করতে পারেননি বলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, বাংলাদেশের মূল কোটার বিবেচনায় অতিরিক্ত ২০ হাজার কোটা পাওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে। এ বিষয়ে সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি জানান, অতিরিক্ত কোটা বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে হাবের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, অতিরিক্ত কোটা বাড়ানোর প্রস্তাব সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

হাব মহাসচিব আশা প্রকাশ করেন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী সৌদি সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে অপেক্ষমাণ হজযাত্রীদের জন্য অতিরিক্ত কোটা পাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সমাধান আসতে পারে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে (৯ জিলহজ ১৪৪৮ হিজরি) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।