সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
- / 87
চিত্রনায়ক সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন মামলার বাদী ও তার মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম। মঙ্গলবার ঢাকার একটি আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করে পরবর্তী শুনানির জন্য মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
চিত্রনায়ক সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে করা আবেদন নথিভুক্ত করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।
মামলার বাদী ও সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম মরদেহ উত্তোলনের পূর্ববর্তী আদেশ বাতিলের আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করেছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জিআর শাখার এসআই শাহ আলম।
আবেদনে বলা হয়, প্রায় তিন দশক ধরে চলমান এ মামলায় প্রাকৃতিক কারণেই সালমান শাহর দেহাবশেষ পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। এছাড়া ১৯৯৭ সালের ১৩ জানুয়ারি আদালতের নির্দেশে একবার মরদেহ উত্তোলনের সময় তা অত্যন্ত পচনশীল অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল বলেও উল্লেখ করা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, সালমান শাহকে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়েছে। পুনরায় মরদেহ উত্তোলনের উদ্যোগ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে এবং জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা সংঘর্ষের আশঙ্কাও রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া মরদেহ উত্তোলনের বিষয়ে বাদী মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম এবং তথ্যদাতা নীলা চৌধুরীর আপত্তির কথাও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই মরদেহ উত্তোলনের আদেশ বাতিল করা প্রয়োজন বলে দাবি করা হয়।
এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর ইন্সপেক্টর জিয়াউল মোর্শেদ প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত আগামী ২৩ জুলাই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
উল্লেখ্য, গত ২০ মে সিআইডির পক্ষ থেকে মরদেহ উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়। পরে ২৪ মে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। বিষয়টি পরে ১০ জুন প্রকাশ্যে আসে।
২০০৫ সালের অক্টোবরে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হকসহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। অভিযোগে দাবি করা হয়, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানো হলেও তার মৃত্যু নিয়ে পরিবারের দীর্ঘদিনের সন্দেহ ও প্রশ্ন রয়েছে।





































