সরকারি জমি দখলের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্ত
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
- / 132
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর বিরুদ্ধে প্রায় ১২ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি সরেজমিন তদন্ত করেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুতের কাজ চলছে।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমি দখল ও সরকারি অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার সরেজমিন তদন্ত পরিচালনা করেছে।
অভিযোগ রয়েছে, চেয়ারম্যান দোকানঘর, হোটেল, অফিস, আড্ডাখানা ও কবুতরঘর নির্মাণ করে প্রায় ১২ কোটি টাকার সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর স্থানীয় সরকার বিভাগের নজরে আসে।
পরে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জিয়াউর রহমানের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জেলা প্রশাসকের মতামতসহ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে জারি করা আদেশে অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা এবং জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি) মেহেদী মোর্শেদের নেতৃত্বে গঠিত কমিটিতে ভূমি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
তদন্ত শেষে উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অভিযুক্ত চেয়ারম্যানও উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন চত্বরে উপস্থিত বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও দোকান মালিক সমিতির নেতারা বাজার এলাকার সব অবৈধ দখল উচ্ছেদের দাবি জানান। তাদের মতে, কিশোরগঞ্জ বাজারকে দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন করতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
অভিযুক্ত চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী অভিযোগের বিষয়ে বলেন, শুধু তার নয়, সরকারি জমি দখল করে থাকা সব ব্যক্তির বিরুদ্ধেই সমান ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেহেদী মোর্শেদ বলেন, তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।



































