ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদের সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে ‘লুটপাটের’ অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • / 36

জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোন নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জামায়াতের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তিনি দাবি করেন, এ ব্যবস্থার পেছনে অপ্রয়োজনীয় খরচ হয়েছে এবং এতে ‘লুটপাটের’ সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন চলাকালে হেডফোন দেখিয়ে শাহজাহান চৌধুরী বলেন, এত বড় ও ভারী হেডফোন পরে দীর্ঘ সময় বসে থাকা সংসদ সদস্যদের জন্য অস্বস্তিকর। তার মতে, সাধারণ মানের হেডফোন ব্যবহার করলেই সদস্যরা পরিষ্কারভাবে শুনতে পারবেন।

তিনি বলেন, আগের সংসদগুলোতে এত জটিল ব্যবস্থা ছাড়াই অধিবেশন পরিচালনা করা হয়েছে। ১৯৯১ এবং ২০০১ সালের সংসদেও এ ধরনের ভারী হেডফোনের প্রয়োজন হয়নি। সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিক ও সহজভাবে উন্নত করার দাবি জানান তিনি।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার সংসদের প্রথম অধিবেশনে সাউন্ড সিস্টেমে সমস্যা দেখা দিলে স্পিকার কিছু সময় হ্যান্ডমাইকের মাধ্যমে অধিবেশন পরিচালনা করেন। পরে সাময়িক বিরতি দেওয়া হয়।

বিরতির পরও সব মাইক ঠিকভাবে কাজ না করায় কয়েকজন সংসদ সদস্য বিষয়টি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এদিকে জামায়াতের আরেক সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেডফোনের মান নিয়েও অভিযোগ তোলেন।

তার দাবি, হেডফোন ব্যবহার করতে গিয়ে কান ও মাথায় ব্যথা অনুভূত হয়েছে এবং শব্দের মানও ছিল খুবই নিম্নমানের।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সংসদের সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে ‘লুটপাটের’ অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোন নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জামায়াতের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তিনি দাবি করেন, এ ব্যবস্থার পেছনে অপ্রয়োজনীয় খরচ হয়েছে এবং এতে ‘লুটপাটের’ সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন চলাকালে হেডফোন দেখিয়ে শাহজাহান চৌধুরী বলেন, এত বড় ও ভারী হেডফোন পরে দীর্ঘ সময় বসে থাকা সংসদ সদস্যদের জন্য অস্বস্তিকর। তার মতে, সাধারণ মানের হেডফোন ব্যবহার করলেই সদস্যরা পরিষ্কারভাবে শুনতে পারবেন।

তিনি বলেন, আগের সংসদগুলোতে এত জটিল ব্যবস্থা ছাড়াই অধিবেশন পরিচালনা করা হয়েছে। ১৯৯১ এবং ২০০১ সালের সংসদেও এ ধরনের ভারী হেডফোনের প্রয়োজন হয়নি। সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিক ও সহজভাবে উন্নত করার দাবি জানান তিনি।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার সংসদের প্রথম অধিবেশনে সাউন্ড সিস্টেমে সমস্যা দেখা দিলে স্পিকার কিছু সময় হ্যান্ডমাইকের মাধ্যমে অধিবেশন পরিচালনা করেন। পরে সাময়িক বিরতি দেওয়া হয়।

বিরতির পরও সব মাইক ঠিকভাবে কাজ না করায় কয়েকজন সংসদ সদস্য বিষয়টি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এদিকে জামায়াতের আরেক সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেডফোনের মান নিয়েও অভিযোগ তোলেন।

তার দাবি, হেডফোন ব্যবহার করতে গিয়ে কান ও মাথায় ব্যথা অনুভূত হয়েছে এবং শব্দের মানও ছিল খুবই নিম্নমানের।