ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নীতি সংলাপে মত

শিশুর বিকাশ ও পরিবেশ সুরক্ষা একই সূত্রে গাঁথা

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 72

শিশুর বিকাশ ও পরিবেশ সুরক্ষা একই সূত্রে গাঁথা

জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশগত অবক্ষয় এবং বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশ, সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং পরিবারকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ও শিশু অধিকারকর্মীরা। তাদের মতে, শিশুদের নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হলে একই সঙ্গে প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘শৈশবের জন্য করণীয়: শৈশব এবং ধরিত্রীকে সুরক্ষিত রাখা’ শীর্ষক নীতি সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক (বেন) এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করে আরনেক ও সমষ্টি মিডিয়া কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল চ্যানেল আই।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে বিনিয়োগ কোনো ব্যয় নয়, বরং এটি দেশের ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিশুদের জন্য নিরাপদ ও বিকাশবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধি, পর্যাপ্ত অর্থায়ন, কার্যকর নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, শুধু সরকারের উদ্যোগে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয়। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম এবং নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রকৃতিবন্ধু মুকিত মজুমদার বাবু বলেন, একটি মানবিক ও টেকসই সমাজ গড়ে তুলতে যেমন শিশুদের যত্ন, সুরক্ষা ও বিকাশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন, তেমনি আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যেতে প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, আজকের শিশুদের প্রতি যত্ন ভবিষ্যতের উন্নত সমাজ নির্মাণে ভূমিকা রাখবে, আর প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণই আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী নিশ্চিত করবে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের (বেন) সহ-সভাপতি মাহমুদা আক্তার। তিনি বলেন, শিশুর জীবনের প্রথম এক হাজার দিন তার শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে যথাযথ পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পরিচর্যা, স্নেহময় পারিবারিক পরিবেশ এবং প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে শিশুর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। এজন্য এই পর্যায়ে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের অনেক পরিবার এখনো শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশের গুরুত্ব সম্পর্কে পর্যাপ্ত সচেতন নয়। ফলে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, নিরাপদ পরিচর্যা, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ও বিকাশবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নানা ঘাটতি রয়ে গেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অভিভাবকদের সক্ষমতা উন্নয়ন, স্থানীয় পর্যায়ে সেবার সম্প্রসারণ এবং কার্যকর জনসম্পৃক্ততার ওপর জোর দেওয়া হয়।

উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা বলেন, একটি শিশুর সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা, সুরক্ষা এবং মানসিক বিকাশকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব শিশুদের ওপর সবচেয়ে বেশি পড়ছে উল্লেখ করে তারা শিশু-কেন্দ্রিক জলবায়ু অভিযোজন এবং টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনায় আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

নীতি সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে, শিশুদের সার্বিক কল্যাণ এবং পরিবেশ সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সরকারের একার পক্ষে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এজন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের অধিকার, নিরাপত্তা এবং পরিবেশ সংরক্ষণকে জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানে ইউনিসেফ বাংলাদেশ, ইউনেস্কো, সমাজসেবা অধিদপ্তর, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, সেভ দ্য চিলড্রেন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, বিজিএমইএসহ বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের চেয়ারপারসন ড. মনজুর আহমেদ।

মুকিত মজুমদার বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত নীতি সংলাপে বক্তারা শিশু ও ধরিত্রী উভয়ের সুরক্ষাকে টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নীতি সংলাপে মত

শিশুর বিকাশ ও পরিবেশ সুরক্ষা একই সূত্রে গাঁথা

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশগত অবক্ষয় এবং বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশ, সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং পরিবারকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ও শিশু অধিকারকর্মীরা। তাদের মতে, শিশুদের নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হলে একই সঙ্গে প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘শৈশবের জন্য করণীয়: শৈশব এবং ধরিত্রীকে সুরক্ষিত রাখা’ শীর্ষক নীতি সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক (বেন) এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করে আরনেক ও সমষ্টি মিডিয়া কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল চ্যানেল আই।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে বিনিয়োগ কোনো ব্যয় নয়, বরং এটি দেশের ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিশুদের জন্য নিরাপদ ও বিকাশবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধি, পর্যাপ্ত অর্থায়ন, কার্যকর নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, শুধু সরকারের উদ্যোগে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয়। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম এবং নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রকৃতিবন্ধু মুকিত মজুমদার বাবু বলেন, একটি মানবিক ও টেকসই সমাজ গড়ে তুলতে যেমন শিশুদের যত্ন, সুরক্ষা ও বিকাশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন, তেমনি আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যেতে প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, আজকের শিশুদের প্রতি যত্ন ভবিষ্যতের উন্নত সমাজ নির্মাণে ভূমিকা রাখবে, আর প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণই আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী নিশ্চিত করবে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের (বেন) সহ-সভাপতি মাহমুদা আক্তার। তিনি বলেন, শিশুর জীবনের প্রথম এক হাজার দিন তার শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে যথাযথ পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পরিচর্যা, স্নেহময় পারিবারিক পরিবেশ এবং প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে শিশুর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। এজন্য এই পর্যায়ে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের অনেক পরিবার এখনো শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশের গুরুত্ব সম্পর্কে পর্যাপ্ত সচেতন নয়। ফলে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, নিরাপদ পরিচর্যা, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ও বিকাশবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নানা ঘাটতি রয়ে গেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অভিভাবকদের সক্ষমতা উন্নয়ন, স্থানীয় পর্যায়ে সেবার সম্প্রসারণ এবং কার্যকর জনসম্পৃক্ততার ওপর জোর দেওয়া হয়।

উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা বলেন, একটি শিশুর সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা, সুরক্ষা এবং মানসিক বিকাশকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব শিশুদের ওপর সবচেয়ে বেশি পড়ছে উল্লেখ করে তারা শিশু-কেন্দ্রিক জলবায়ু অভিযোজন এবং টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনায় আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

নীতি সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে, শিশুদের সার্বিক কল্যাণ এবং পরিবেশ সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সরকারের একার পক্ষে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এজন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের অধিকার, নিরাপত্তা এবং পরিবেশ সংরক্ষণকে জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানে ইউনিসেফ বাংলাদেশ, ইউনেস্কো, সমাজসেবা অধিদপ্তর, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, সেভ দ্য চিলড্রেন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, বিজিএমইএসহ বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের চেয়ারপারসন ড. মনজুর আহমেদ।

মুকিত মজুমদার বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত নীতি সংলাপে বক্তারা শিশু ও ধরিত্রী উভয়ের সুরক্ষাকে টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।