শ্রেনীকক্ষে প্রতি শিক্ষককে ট্যাব দেওয়ার প্রস্তাব
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
- / 71
শিক্ষা খাতকে প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক কাঠামোর দিকে নিয়ে যেতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচির প্রস্তাব বাজেটে উঠে এসেছে। এর মাধ্যমে শিক্ষক পর্যায়ে ডিজিটাল পাঠদানকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে।
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতের এই উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। বাজেট বক্তব্যে বলা হয়, শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে এবং তরুণদের প্রযুক্তি-ভিত্তিক দক্ষতা গড়ে তুলতেই এই পদক্ষেপ বিবেচনায় আনা হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিটি শিক্ষককে একটি করে ট্যাব বা ডিজিটাল ডিভাইস দেওয়া হবে, যাতে শ্রেণিকক্ষে এআই ও মাল্টিমিডিয়া নির্ভর পাঠদান সহজ হয়। পাশাপাশি ধাপে ধাপে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা সম্প্রসারণের কথাও বলা হয়েছে। নীতিগতভাবে মুখস্থনির্ভরতার বাইরে গিয়ে শেখার পরিবেশকে আরও অংশগ্রহণমূলক করার ইঙ্গিতও রয়েছে।
এবারের বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা, যা জিডিপির প্রায় ২ শতাংশ। গত অর্থবছরের তুলনায় এটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার দীর্ঘমেয়াদে এই বরাদ্দকে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
নতুন কারিকুলামে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনাও রয়েছে। একই সঙ্গে জাপানি, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফরাসি ও জার্মান ভাষা শেখার সুযোগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এসব ভাষায় দক্ষ শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সহায়তার প্রস্তাবও রয়েছে।



































