ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যমুনায় বাল্কহেড ডুবে নিখোঁজ ২ শ্রমিক

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিরাজগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:১৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 73

যমুনায় বাল্কহেড ডুবে নিখোঁজ ২ শ্রমিক

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে বালুবোঝাই একটি বাল্কহেড ডুবে দুই শ্রমিক নিখোঁজ হয়েছেন। ঘটনার দুই দিন পরও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান চালিয়েও তাদের উদ্ধার করতে পারেননি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী থেকে একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে যমুনা নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় তারা এখনো পানিতে নেমে উদ্ধার অভিযান শুরু করতে পারেনি।

এর আগে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় যমুনার চরাঞ্চল অধ্যুষিত কাওয়াকোলা ইউনিয়নের বড় কয়রা এলাকায় বালুবোঝাই বাল্কহেডটি ডুবে যায়।

নিখোঁজ দুই শ্রমিক হলেন নোয়াখালীর মাইজদী থানার আন্ডারচর গ্রামের লোকমান হোসেন মৃধার ছেলে মো. মোরশেদ (২৫) এবং চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার কাশিমনগর গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. ফয়সাল (২১)।

ঘটনার সময় বাল্কহেডে থাকা অপর দুই ব্যক্তি সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তারা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার ছাতিরচর গ্রামের এজাজুল ইসলাম (২৬) এবং নোয়াখালীর মাইজদী থানার আন্ডারচর গ্রামের রাসেল হোসেন।

সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, বাল্কহেডটি ডুবে যাওয়ার সময় চারজন শ্রমিক ছিলেন। তাদের মধ্যে ওপরের অংশে থাকা দুজন সাঁতরে তীরে উঠে আসেন। অন্য দুজন ইঞ্জিন মিস্ত্রি হিসেবে ইঞ্জিন রুমে ছিলেন। বাল্কহেড ডুবে যাওয়ার পর তারা সেখানে আটকা পড়েন।

তিনি বলেন, রোববার সকালে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও নিখোঁজ দুজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার সকালে রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

শরীফুল ইসলাম আরও বলেন, নদীতে প্রবল স্রোতের কারণে ডুবুরি দল পানিতে নামতে পারছে না। তাই বাল্কহেডটি উদ্ধারে বিকল্প পদ্ধতি নেওয়া হচ্ছে। ভেতর থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু সরিয়ে বাল্কহেডটি উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যমুনায় বাল্কহেড ডুবে নিখোঁজ ২ শ্রমিক

সর্বশেষ আপডেট ০২:১৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে বালুবোঝাই একটি বাল্কহেড ডুবে দুই শ্রমিক নিখোঁজ হয়েছেন। ঘটনার দুই দিন পরও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান চালিয়েও তাদের উদ্ধার করতে পারেননি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী থেকে একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে যমুনা নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় তারা এখনো পানিতে নেমে উদ্ধার অভিযান শুরু করতে পারেনি।

এর আগে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় যমুনার চরাঞ্চল অধ্যুষিত কাওয়াকোলা ইউনিয়নের বড় কয়রা এলাকায় বালুবোঝাই বাল্কহেডটি ডুবে যায়।

নিখোঁজ দুই শ্রমিক হলেন নোয়াখালীর মাইজদী থানার আন্ডারচর গ্রামের লোকমান হোসেন মৃধার ছেলে মো. মোরশেদ (২৫) এবং চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার কাশিমনগর গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. ফয়সাল (২১)।

ঘটনার সময় বাল্কহেডে থাকা অপর দুই ব্যক্তি সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তারা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার ছাতিরচর গ্রামের এজাজুল ইসলাম (২৬) এবং নোয়াখালীর মাইজদী থানার আন্ডারচর গ্রামের রাসেল হোসেন।

সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, বাল্কহেডটি ডুবে যাওয়ার সময় চারজন শ্রমিক ছিলেন। তাদের মধ্যে ওপরের অংশে থাকা দুজন সাঁতরে তীরে উঠে আসেন। অন্য দুজন ইঞ্জিন মিস্ত্রি হিসেবে ইঞ্জিন রুমে ছিলেন। বাল্কহেড ডুবে যাওয়ার পর তারা সেখানে আটকা পড়েন।

তিনি বলেন, রোববার সকালে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও নিখোঁজ দুজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার সকালে রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

শরীফুল ইসলাম আরও বলেন, নদীতে প্রবল স্রোতের কারণে ডুবুরি দল পানিতে নামতে পারছে না। তাই বাল্কহেডটি উদ্ধারে বিকল্প পদ্ধতি নেওয়া হচ্ছে। ভেতর থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু সরিয়ে বাল্কহেডটি উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।