মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে নতুন ধোঁয়াশা
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৪:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 158
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। তবে এরই মধ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র সত্যায়ন শুরু হয়েছে। একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ২৮ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র সত্যায়নের তথ্যও নিশ্চিত হওয়া গেছে।
দীর্ঘ আলোচনা ও কূটনৈতিক তৎপরতার পর প্রায় দুই মাস আগে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ফের চালুর উদ্যোগ নেয় সরকার। তবে এরপরও কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য না পাওয়ায় অনিশ্চয়তায় রয়েছেন মালয়েশিয়ায় যেতে আগ্রহীরা।
শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না থাকায় বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সিতে গিয়ে তথ্য জানতে হয়রানির অভিযোগও করেছেন কয়েকজন অভিবাসনপ্রত্যাশী। তাদের অভিযোগ, কোথায় এবং কার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে ঘুরতে হচ্ছে।
এর মধ্যেই মালয়েশিয়া থেকে কর্মী নিয়োগের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরুর তথ্য পাওয়া গেছে। দেশটির সুপারমার্কেট চেইন এনএসকে ট্রেড সিটির চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ২৮ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের একটি চাহিদাপত্র বাংলাদেশ হাইকমিশন সত্যায়ন করেছে। গুডনেস সার্ভিসেস লিমিটেড নামের একটি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ওই চাহিদাপত্র সত্যায়ন করা হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ফলে মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও অন্তত একটি প্রতিষ্ঠানের চাহিদাপত্র সত্যায়নের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য না করে জানান, শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠক করা হবে। সেখানে সবার মতামত নিয়ে কীভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হবে।
এদিকে শ্রমবাজারের বিষয়ে আর ধোঁয়াশা না রেখে সরকারকে স্পষ্ট তথ্য দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। তাদের প্রশ্ন, শ্রমবাজার চালু হয়ে থাকলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে দেরি হচ্ছে কেন। আর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত না হলে চাহিদাপত্র সত্যায়নের কার্যক্রম কীভাবে শুরু হলো।
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও স্পষ্ট নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন অভিবাসনপ্রত্যাশীরা।






























