বিশ্ব পর্যটন দিবসে সাতক্ষীরায় র্যালি ও আলোচনা সভা
- সর্বশেষ আপডেট ০১:২৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 76
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও ট্যুরিস্ট পুলিশের যৌথ উদ্যোগে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত র্যালিতে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈনের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ। শুরুতে বিশ্ব পর্যটন দিবসের তাৎপর্য এবং সাতক্ষীরার পর্যটন সম্ভাবনা নিয়ে পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সাতক্ষীরা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) শেখ মো. মনিরুজ্জামান, পিপিএম।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিথুন সরকার। এছাড়া সামাজিক বনায়ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ বিল্লাহ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি মো. সাকিবুর রহমান বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, সুন্দরবনকে ঘিরে সাতক্ষীরার পর্যটনের ব্যাপক সম্ভাবনা থাকলেও এ খাত এখনো প্রত্যাশিতভাবে বিকশিত হয়নি। সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের প্রসারে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, পর্যটকদের আকৃষ্ট করার মতো পর্যটনকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে পর্যটন এলাকার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
তারা আরও বলেন, পর্যটন এলাকায় প্লাস্টিক বর্জ্য কমানো ও পরিবেশদূষণ রোধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব পর্যটনব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে একদিকে সুন্দরবনের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে সাতক্ষীরার অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ বলেন, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সাতক্ষীরায় নৌপথে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনশিল্পের বিকাশে উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে পর্যটনকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে দেবহাটা উপজেলার রূপসী ম্যানগ্রোভ এলাকাকে একটি উপযুক্ত পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, পর্যটনশিল্পের বিকাশের পাশাপাশি সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব পর্যটনব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে সাতক্ষীরার পর্যটন খাতের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিও আরও সমৃদ্ধ হবে।
কর্মসূচিতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ সদস্য, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।































