ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববাজারে কমেছে সোনার দাম, দেশে ভরি কত?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / 915

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্য প্রকাশের পর সুদের হার দ্রুত কমার সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের একাংশ সোনা থেকে কিছুটা সরে আসছেন বলে বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা।

বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেলে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৯৪ দশমিক ৫৯ ডলারে। অন্যদিকে জুন ডেলিভারির জন্য স্বর্ণ ফিউচারস সামান্য বেড়ে ৪ হাজার ৭০২ দশমিক ৪০ ডলারে পৌঁছেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি এখনো চাপে থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক দীর্ঘ সময় সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে। আর উচ্চ সুদের হার সাধারণত সোনার বাজারে চাপ তৈরি করে, কারণ এ ধাতু থেকে সরাসরি সুদ বা মুনাফা পাওয়া যায় না।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ঘিরেও আন্তর্জাতিক বাজারে সতর্কতা দেখা যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্য পরিস্থিতির দিকেও নজর রাখছেন।

বিশ্লেষকদের ভাষ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হলে বা বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বাড়লে সোনার বাজার আবারও শক্তিশালী হতে পারে। তবে আপাতত বাজার সীমিত পরিসরে ওঠানামা করছে।

সোনার পাশাপাশি কমেছে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও। আন্তর্জাতিক বাজারে রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দরেও সামান্য পতন দেখা গেছে।

অন্যদিকে দেশের বাজারে বর্তমানে ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিশ্ববাজারে কমেছে সোনার দাম, দেশে ভরি কত?

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্য প্রকাশের পর সুদের হার দ্রুত কমার সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের একাংশ সোনা থেকে কিছুটা সরে আসছেন বলে বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা।

বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেলে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৯৪ দশমিক ৫৯ ডলারে। অন্যদিকে জুন ডেলিভারির জন্য স্বর্ণ ফিউচারস সামান্য বেড়ে ৪ হাজার ৭০২ দশমিক ৪০ ডলারে পৌঁছেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি এখনো চাপে থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক দীর্ঘ সময় সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে। আর উচ্চ সুদের হার সাধারণত সোনার বাজারে চাপ তৈরি করে, কারণ এ ধাতু থেকে সরাসরি সুদ বা মুনাফা পাওয়া যায় না।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ঘিরেও আন্তর্জাতিক বাজারে সতর্কতা দেখা যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্য পরিস্থিতির দিকেও নজর রাখছেন।

বিশ্লেষকদের ভাষ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হলে বা বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বাড়লে সোনার বাজার আবারও শক্তিশালী হতে পারে। তবে আপাতত বাজার সীমিত পরিসরে ওঠানামা করছে।

সোনার পাশাপাশি কমেছে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও। আন্তর্জাতিক বাজারে রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দরেও সামান্য পতন দেখা গেছে।

অন্যদিকে দেশের বাজারে বর্তমানে ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।