ঢাকা ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিপিএলে দুর্নীতি তদন্তে চারজন সাময়িক বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • / 43

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দুর্নীতিবিরোধী বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চারজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

একই সঙ্গে একজন সাবেক ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর জবাব দিতে সংশ্লিষ্টদের ১৪ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।

বিসিবির বিবৃতিতে বলা হয়, তদন্তে উঠে এসেছে বেটিং–সম্পর্কিত যোগাযোগ, দুর্নীতিমূলক আলাপচারিতা, ডিমান্ড নোটিশ উপেক্ষা, তথ্য গোপন বা মুছে ফেলা এবং দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের তদন্তে অসহযোগিতার মতো একাধিক অনিয়মের ইঙ্গিত।

সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া চারজন হলেন—চিটাগং রয়্যালসের লজিস্টিক ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহমালিক মো. তৌহিদুল হক, ক্রিকেটার অমিত মজুমদার এবং সিলেট টাইটানসের টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী।

এ ছাড়া ‘এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি’র আওতায় সাবেক চিটাগং রয়্যালস সিইও সামিনুর রহমানকে চূড়ান্তভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিসিবি জানিয়েছে, আগের একাধিক আসরে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সূত্র অনুযায়ী, চলমান তদন্তে কাজ করছেন বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান পরামর্শক অ্যালেক্স মার্শাল। এর আগে একাদশ বিপিএলে ফিক্সিং অভিযোগ নিয়ে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনও পর্যালোচনায় রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে বিসিবির সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনে নানা অনিয়মের কথাও উঠে আসে। সেখানে বলা হয়, কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ঘিরে আগাম সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও সিদ্ধান্তে শিথিলতা দেখানো হয়েছিল কি না—সে প্রশ্নও এখন তদন্তের আওতায় এসেছে। পাশাপাশি দ্বাদশ আসরের আর্থিক ক্ষতি ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতার কথাও আলোচনায় আসে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিপিএলে দুর্নীতি তদন্তে চারজন সাময়িক বরখাস্ত

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দুর্নীতিবিরোধী বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চারজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

একই সঙ্গে একজন সাবেক ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর জবাব দিতে সংশ্লিষ্টদের ১৪ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।

বিসিবির বিবৃতিতে বলা হয়, তদন্তে উঠে এসেছে বেটিং–সম্পর্কিত যোগাযোগ, দুর্নীতিমূলক আলাপচারিতা, ডিমান্ড নোটিশ উপেক্ষা, তথ্য গোপন বা মুছে ফেলা এবং দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের তদন্তে অসহযোগিতার মতো একাধিক অনিয়মের ইঙ্গিত।

সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া চারজন হলেন—চিটাগং রয়্যালসের লজিস্টিক ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহমালিক মো. তৌহিদুল হক, ক্রিকেটার অমিত মজুমদার এবং সিলেট টাইটানসের টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী।

এ ছাড়া ‘এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি’র আওতায় সাবেক চিটাগং রয়্যালস সিইও সামিনুর রহমানকে চূড়ান্তভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিসিবি জানিয়েছে, আগের একাধিক আসরে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সূত্র অনুযায়ী, চলমান তদন্তে কাজ করছেন বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান পরামর্শক অ্যালেক্স মার্শাল। এর আগে একাদশ বিপিএলে ফিক্সিং অভিযোগ নিয়ে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনও পর্যালোচনায় রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে বিসিবির সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনে নানা অনিয়মের কথাও উঠে আসে। সেখানে বলা হয়, কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ঘিরে আগাম সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও সিদ্ধান্তে শিথিলতা দেখানো হয়েছিল কি না—সে প্রশ্নও এখন তদন্তের আওতায় এসেছে। পাশাপাশি দ্বাদশ আসরের আর্থিক ক্ষতি ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতার কথাও আলোচনায় আসে।