বাজারে লাগামছাড়া আটা-ময়দার দাম
- সর্বশেষ আপডেট ১২:২০:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 138
সকালের রুটি-পরোটা থেকে শুরু করে সিঙ্গারা, সমুচা, পাউরুটি, বিস্কুট ও কেক; প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় আটা-ময়দার তৈরি নানা খাবার থাকে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে বেড়েছে আটা ও ময়দার দাম। এতে বাড়তি খরচের চাপে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।
ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আটার দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। একই সময়ে ময়দার দাম বেড়েছে কেজিতে সর্বোচ্চ ২০ টাকা। দাম বাড়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্য কেনায় হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষ।
এক ক্রেতা বলেন, আটা-ময়দা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে দিনের বিভিন্ন সময় এসব পণ্য ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু দাম এভাবে বাড়তে থাকলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। অথচ আয় বাড়ছে না।
আরেক ক্রেতা বলেন, ময়দা দিয়ে পরোটা, সমুচাসহ বিভিন্ন ধরনের নাস্তা তৈরি করা হয়। দাম বাড়ার কারণে এখন এসব খাবার তৈরি করাও কঠিন হয়ে পড়ছে।
এদিকে রাজধানীর খুচরা বাজারে হঠাৎ করে প্যাকেটজাত ময়দার সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে বড় কোম্পানিগুলো দাম বাড়াচ্ছে।
এক খুচরা ব্যবসায়ী বলেন, প্রায় দুই মাস ধরে ময়দার সংকট চলছে। গত এক সপ্তাহে এক প্যাকেট ময়দার দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
আরেক ব্যবসায়ী বলেন, বাজারে গমের সরবরাহ কম। বেশি দামে গম কিনতে হচ্ছে বলেই কোম্পানিগুলো ময়দার দাম বাড়াচ্ছে।
এক ব্যবসায়ী জানান, এক মাস আগে দুই কেজির একটি ময়দার প্যাকেট ১২০ টাকায় কিনতেন। তখন প্যাকেটের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) ছিল ১৪০ টাকা এবং তারা ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি করতেন। এখন একই দুই কেজি ময়দার প্যাকেটের গায়ে এমআরপি লেখা রয়েছে ১৮০ টাকা।
ডিলারদের দাবি, গম আমদানি কমে যাওয়া এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণ দেখিয়ে কোম্পানিগুলো ময়দার দাম বাড়াচ্ছে।
এক ডিলার বলেন, কোম্পানিগুলো বলছে বিদেশ থেকে গমের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। আরেক ডিলারের ভাষ্য, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে কোম্পানিগুলো উৎপাদন ঠিকমতো করতে পারছে না। এ কারণে তারা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
আটা-ময়দার দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাজারে সরকারি সংস্থাগুলোর নজরদারি আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা।






























