ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেসবুক স্ট্যাটাসে যা লিখেলেন মাহফুজ আলম

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / 42

ফেসবুক স্ট্যাটাসে যা লিখেলেন মাহফুজ আলম

৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। বাংলা অ্যাফেয়ার্সের পাঠকদের জন্য তার স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে দেয়া হলো;
মুক্তির দিনে এসে এসব বেমানান,
তবু জানিয়ে যাই ইতিহাস এক মাছের পুকুর কিংবা বাজার!
ইতিহাসের মাৎস্যনায় তো বাস্তব। বড় মাছ মেজো/ ছোট মাছ গিলে খাবে। মেজো/ছোট মাছ আবার বড় হয়ে অন্যদের গিলে খাবে। গত দুই বছরে কি হয়নি এসব? আবারো হবে, সময় এলে সেখানে অন্যরা থাকবে না।
আপনি একটি আদর্শিক গ্রুপের বিরোধিতা করলে আপনাকে ইতিহাস থেকে নাই করে দেয়া হবে। যেনবা আপনি ছিলেনই না। থাকলেও গাদ্দারবত ছিলেন।যদিচ, কোনভাবে ঐ আদর্শিক গ্রুপের সাথে তাল মিলিয়ে চললে প্রধান ২/৪ পুতচরিত্রদের একজন হয়ে ওঠা কোন ইস্যুই ছিল না।
একটি দলে যোগ না দিলে ঐ দলের লোকজন আপনার নামই নিবে না। যদিও দলটি গড়ে তোলায় আপনি প্রতিষ্ঠাতাদের কিংবা নীতিনির্ধারকদের একজন ছিলেন। দলের তৈরি কোন ইভেন্টের ইতিহাসেও আপনার নাম নেয়া হবে না। নিলেও দায় দেয়ার জন্য নেয়া হবে। যদিচ, আপনি ঐ ইভেন্টে সকল নীতিনির্ধাণে অন্যতম একজন ছিলেন।
ফলে, যার হাতে ক্ষমতা সে ইতিহাস লিখবে। এটা নিয়ে অভিযোগ করবে দলের/ আদর্শিক গোত্রের লোক। কারণ, দলের/ আদর্শিক গোত্রের ক্ষমতারোহণের জন্য ইতিহাসের উপর কর্তৃত্ব দরকার। ক্ষমতারোহণ করে তারা কার/ কাদের ইতিহাস লিখবেন, কাদের বাদ দিবেন সেটা বলাই বাহুল্য।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে যা লিখেলেন মাহফুজ আলম

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। বাংলা অ্যাফেয়ার্সের পাঠকদের জন্য তার স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে দেয়া হলো;
মুক্তির দিনে এসে এসব বেমানান,
তবু জানিয়ে যাই ইতিহাস এক মাছের পুকুর কিংবা বাজার!
ইতিহাসের মাৎস্যনায় তো বাস্তব। বড় মাছ মেজো/ ছোট মাছ গিলে খাবে। মেজো/ছোট মাছ আবার বড় হয়ে অন্যদের গিলে খাবে। গত দুই বছরে কি হয়নি এসব? আবারো হবে, সময় এলে সেখানে অন্যরা থাকবে না।
আপনি একটি আদর্শিক গ্রুপের বিরোধিতা করলে আপনাকে ইতিহাস থেকে নাই করে দেয়া হবে। যেনবা আপনি ছিলেনই না। থাকলেও গাদ্দারবত ছিলেন।যদিচ, কোনভাবে ঐ আদর্শিক গ্রুপের সাথে তাল মিলিয়ে চললে প্রধান ২/৪ পুতচরিত্রদের একজন হয়ে ওঠা কোন ইস্যুই ছিল না।
একটি দলে যোগ না দিলে ঐ দলের লোকজন আপনার নামই নিবে না। যদিও দলটি গড়ে তোলায় আপনি প্রতিষ্ঠাতাদের কিংবা নীতিনির্ধারকদের একজন ছিলেন। দলের তৈরি কোন ইভেন্টের ইতিহাসেও আপনার নাম নেয়া হবে না। নিলেও দায় দেয়ার জন্য নেয়া হবে। যদিচ, আপনি ঐ ইভেন্টে সকল নীতিনির্ধাণে অন্যতম একজন ছিলেন।
ফলে, যার হাতে ক্ষমতা সে ইতিহাস লিখবে। এটা নিয়ে অভিযোগ করবে দলের/ আদর্শিক গোত্রের লোক। কারণ, দলের/ আদর্শিক গোত্রের ক্ষমতারোহণের জন্য ইতিহাসের উপর কর্তৃত্ব দরকার। ক্ষমতারোহণ করে তারা কার/ কাদের ইতিহাস লিখবেন, কাদের বাদ দিবেন সেটা বলাই বাহুল্য।