ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংসদে বিল পাস

প্রশ্ন ফাঁস ও ডিজিটাল কারসাজিতে ৫ বছরের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • / 53

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, অনলাইনে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষা–সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধের শাস্তির বিধান রেখে সংশোধনী বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। নতুন আইনে এসব অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, অনলাইনে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষা–সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধের শাস্তির বিধান রেখে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল–২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

নতুন আইনে অনলাইন প্ল্যাটফর্মসহ যেকোনোভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সর্বোচ্চ শাস্তি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এ অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল।

বিলে প্রথমবারের মতো ‘ডিজিটাল কারসাজি’ বা ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন-এর সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। পাবলিক পরীক্ষার ডেটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন, মুছে ফেলা বা গোপন করাকে এ অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। এ অপরাধেও সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ, পরীক্ষা পরিচালনার নির্দেশনা অমান্য বা অসদুপায়ে সহায়তার উদ্দেশ্যে চুক্তি করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হবে।

সংশোধিত আইনে উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের জন্যও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। কোনো পরীক্ষক অতিমূল্যায়ন বা অবমূল্যায়ন করলে তৃতীয় পরীক্ষকের মূল্যায়নে তা প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

এ ছাড়া কোনো শিশু এ আইনের আওতায় অপরাধ করলে তার ক্ষেত্রে শিশু আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সংসদে বিল পাস

প্রশ্ন ফাঁস ও ডিজিটাল কারসাজিতে ৫ বছরের জেল

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, অনলাইনে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষা–সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধের শাস্তির বিধান রেখে সংশোধনী বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। নতুন আইনে এসব অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, অনলাইনে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষা–সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধের শাস্তির বিধান রেখে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল–২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

নতুন আইনে অনলাইন প্ল্যাটফর্মসহ যেকোনোভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সর্বোচ্চ শাস্তি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এ অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল।

বিলে প্রথমবারের মতো ‘ডিজিটাল কারসাজি’ বা ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন-এর সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। পাবলিক পরীক্ষার ডেটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন, মুছে ফেলা বা গোপন করাকে এ অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। এ অপরাধেও সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ, পরীক্ষা পরিচালনার নির্দেশনা অমান্য বা অসদুপায়ে সহায়তার উদ্দেশ্যে চুক্তি করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হবে।

সংশোধিত আইনে উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের জন্যও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। কোনো পরীক্ষক অতিমূল্যায়ন বা অবমূল্যায়ন করলে তৃতীয় পরীক্ষকের মূল্যায়নে তা প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

এ ছাড়া কোনো শিশু এ আইনের আওতায় অপরাধ করলে তার ক্ষেত্রে শিশু আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।