ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পীর হত্যা মামলায় ববি শিক্ষার্থীকে আসামি করার অভিযোগ

ববি প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • / 81

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কথিত পীর আব্দুর রহমান শামীম হত্যা মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সাবেক শিক্ষার্থী খাজা আহমেদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি ঘটনাস্থলেও উপস্থিত ছিলেন না বলে দাবি করা হয়েছে।

খাজা আহমেদ কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি, দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের রোকন এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত ফিলিপনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে এ ধরনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুন কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এনায়েত কবির খাজা আহমেদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত প্রাঙ্গণে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

খাজা আহমেদের অভিযোগ, হামলার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত ব্যক্তিদের আড়াল করতে তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তবে মামলার বাদীপক্ষ এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

গত ১১ এপ্রিল দুপুরে দৌলতপুরের ফিলিপনগরে একটি দরবার শরিফে পীর আব্দুর রহমান শামীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় সেখানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।

ঘটনার পরদিন খাজা আহমেদ ফেসবুক লাইভ ও গণমাধ্যমে দাবি করেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পরে ১৩ এপ্রিল নিহতের ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় খাজা আহমেদসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে ১৮০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে নিহতের ভাই ফজলুর রহমান কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। দৌলতপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি খালেদুর রহমান জানান, তিনি নতুন যোগ দিয়েছেন এবং মামলার কাগজপত্র দেখে বিস্তারিত জানাতে পারবেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পীর হত্যা মামলায় ববি শিক্ষার্থীকে আসামি করার অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কথিত পীর আব্দুর রহমান শামীম হত্যা মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সাবেক শিক্ষার্থী খাজা আহমেদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি ঘটনাস্থলেও উপস্থিত ছিলেন না বলে দাবি করা হয়েছে।

খাজা আহমেদ কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি, দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের রোকন এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত ফিলিপনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে এ ধরনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুন কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এনায়েত কবির খাজা আহমেদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত প্রাঙ্গণে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

খাজা আহমেদের অভিযোগ, হামলার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত ব্যক্তিদের আড়াল করতে তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তবে মামলার বাদীপক্ষ এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

গত ১১ এপ্রিল দুপুরে দৌলতপুরের ফিলিপনগরে একটি দরবার শরিফে পীর আব্দুর রহমান শামীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় সেখানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।

ঘটনার পরদিন খাজা আহমেদ ফেসবুক লাইভ ও গণমাধ্যমে দাবি করেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পরে ১৩ এপ্রিল নিহতের ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় খাজা আহমেদসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে ১৮০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে নিহতের ভাই ফজলুর রহমান কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। দৌলতপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি খালেদুর রহমান জানান, তিনি নতুন যোগ দিয়েছেন এবং মামলার কাগজপত্র দেখে বিস্তারিত জানাতে পারবেন।