ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পালসটেক থেকে প্রথমবার বহুগুণ রিটার্ন পেল স্টার্টআপ বাংলাদেশ

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / 237

পালসটেক থেকে প্রথমবার বহুগুণ রিটার্ন পেল স্টার্টআপ বাংলাদেশ

বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাতে নতুন মাইলফলক তৈরি করেছে ঢাকাভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর ওষুধ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান পালসটেক লিমিটেড। সরকারি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশের বিনিয়োগ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পালসটেকই প্রথম, যেখান থেকে বিনিয়োগের বিপরীতে বহুগুণ রিটার্ন এসেছে।

২০২৪ সালে পালসটেকে বিনিয়োগ করে স্টার্টআপ বাংলাদেশ। মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিকীকৃত রাজস্ব ২০ লাখ মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ১৫ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি লাভজনকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে।

স্টার্টআপ বাংলাদেশ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৬টি দেশীয় স্টার্টআপে বিনিয়োগ করেছে তারা। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পালসটেক থেকেই প্রথমবারের মতো বিনিয়োগের বিপরীতে বহুগুণ রিটার্ন নিশ্চিত হয়েছে।

প্রযুক্তিনির্ভর ওষুধ বিতরণ

দেশের ওষুধ বিতরণ ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিশেষ করে ছোট ও স্বতন্ত্র ফার্মেসিগুলোকে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি ও পাইকারি বাজার থেকে আলাদাভাবে পণ্য সংগ্রহ করতে হয়। এতে সময় ও খরচ বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থায় নকল ওষুধ প্রবেশের ঝুঁকিও তৈরি হয়।

এই সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তিনির্ভর ও অনুমোদিত ওষুধ বিতরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে পালসটেক। প্রতিষ্ঠানটির ‘মেডবক্স’ মোবাইলভিত্তিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ফার্মেসিগুলো ওষুধের অর্ডার দিতে পারে এবং একই দিনে সরবরাহ পাওয়ার সুবিধা রয়েছে।

এর পাশাপাশি ফার্মেসিগুলোর জন্য অর্থায়ন সুবিধা, ব্যবসা ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার এবং ‘ওয়ান ফার্মেসি’ নামে শাখাভিত্তিক ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

দুই বছরে রাজস্ব বেড়েছে ৭৫ গুণ

স্টার্টআপ বাংলাদেশের বিনিয়োগের পর পালসটেকের ব্যবসায় দ্রুত সম্প্রসারণ ঘটেছে। ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিকীকৃত রাজস্ব ছিল ২০ লাখ মার্কিন ডলার। বর্তমানে তা বেড়ে ১৫ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে রাজস্ব প্রায় ৭৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

পালসটেকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তাদের মাসিক রাজস্ব গড়ে ২০ শতাংশ হারে বাড়ছে। ঢাকায় ১৪ হাজারের বেশি ফার্মেসিকে সেবা দেওয়ার পাশাপাশি ৮৫ লাখেরও বেশি মানুষের কাছে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে দেশের প্রায় ৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের ওষুধের বাজারের এখনো ৫ শতাংশেরও কম অংশে পালসটেকের কার্যক্রম রয়েছে। ফলে দেশীয় বাজারেই প্রতিষ্ঠানটির আরও সম্প্রসারণের বড় সুযোগ রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে যাওয়ার প্রস্তুতি

দেশের বাজারে দ্রুত প্রবৃদ্ধির পর এবার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে পালসটেক। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে সিরিজ এ পর্যায়ের বিনিয়োগ সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার রাজস্ব অর্জনের লক্ষ্যও নির্ধারণ করেছে তারা।

বাংলাদেশের বাইরে সৌদি আরবকে প্রথম আন্তর্জাতিক বাজার হিসেবে বেছে নিয়েছে পালসটেক। এর মাধ্যমে দেশে তৈরি প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ বিতরণ ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

পালসটেকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরেফিন রাফি আহমেদ বলেন, প্রতিষ্ঠার শুরুতেই স্টার্টআপ বাংলাদেশ তাদের ওপর আস্থা রেখে বিনিয়োগ করেছিল। সেই বিনিয়োগের সফল রিটার্ন প্রমাণ করছে, বাংলাদেশে বড় ও সফল প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, পালসটেক এখন সিরিজ এ পর্যায়ের বিনিয়োগ সংগ্রহ করছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে গড়ে ওঠা একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানকে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিষ্ঠিত করাই তাদের লক্ষ্য।

লাভজনক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্ব

পালসটেকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আশিকুর রসুল বলেন, মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব তৈরির পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ভালো রিটার্ন দেওয়াও সম্ভব; পালসটেকের সাফল্য তার উদাহরণ।

তিনি বলেন, গত দুই বছরে লাখ লাখ মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তারা একটি লাভজনক ও দ্রুত বর্ধনশীল ব্যবসা গড়ে তুলেছেন। আগামী দিনেও একই লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে যাবে।

স্টার্টআপ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী নুরুল হাই বলেন, মানুষের বাস্তব সমস্যা সমাধানে কাজ করা উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নেওয়া এবং একই সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব তৈরির লক্ষ্যেই তারা বিনিয়োগ করেন। পালসটেকের সাফল্য তাদের বিনিয়োগ কৌশলের কার্যকারিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

তিনি আরও বলেন, এই অর্জন বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের স্টার্টআপগুলোকে বড় হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশে উৎসাহিত করবে।

পালসটেকের এই সাফল্য দেশের স্টার্টআপ খাতে সরকারি বিনিয়োগের সম্ভাবনাকেও নতুনভাবে সামনে এনেছে। স্থানীয় সমস্যার প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান, দ্রুত ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং লাভজনক অবস্থানে পৌঁছানো সম্ভব; পালসটেকের অগ্রগতি তার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। একই সঙ্গে স্টার্টআপ বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো বহুগুণ রিটার্ন আসায় ভবিষ্যতে দেশীয় স্টার্টআপে বিনিয়োগে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ও আস্থা আরও বাড়তে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পালসটেক থেকে প্রথমবার বহুগুণ রিটার্ন পেল স্টার্টআপ বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাতে নতুন মাইলফলক তৈরি করেছে ঢাকাভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর ওষুধ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান পালসটেক লিমিটেড। সরকারি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশের বিনিয়োগ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পালসটেকই প্রথম, যেখান থেকে বিনিয়োগের বিপরীতে বহুগুণ রিটার্ন এসেছে।

২০২৪ সালে পালসটেকে বিনিয়োগ করে স্টার্টআপ বাংলাদেশ। মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিকীকৃত রাজস্ব ২০ লাখ মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ১৫ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি লাভজনকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে।

স্টার্টআপ বাংলাদেশ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৬টি দেশীয় স্টার্টআপে বিনিয়োগ করেছে তারা। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পালসটেক থেকেই প্রথমবারের মতো বিনিয়োগের বিপরীতে বহুগুণ রিটার্ন নিশ্চিত হয়েছে।

প্রযুক্তিনির্ভর ওষুধ বিতরণ

দেশের ওষুধ বিতরণ ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিশেষ করে ছোট ও স্বতন্ত্র ফার্মেসিগুলোকে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি ও পাইকারি বাজার থেকে আলাদাভাবে পণ্য সংগ্রহ করতে হয়। এতে সময় ও খরচ বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থায় নকল ওষুধ প্রবেশের ঝুঁকিও তৈরি হয়।

এই সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তিনির্ভর ও অনুমোদিত ওষুধ বিতরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে পালসটেক। প্রতিষ্ঠানটির ‘মেডবক্স’ মোবাইলভিত্তিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ফার্মেসিগুলো ওষুধের অর্ডার দিতে পারে এবং একই দিনে সরবরাহ পাওয়ার সুবিধা রয়েছে।

এর পাশাপাশি ফার্মেসিগুলোর জন্য অর্থায়ন সুবিধা, ব্যবসা ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার এবং ‘ওয়ান ফার্মেসি’ নামে শাখাভিত্তিক ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

দুই বছরে রাজস্ব বেড়েছে ৭৫ গুণ

স্টার্টআপ বাংলাদেশের বিনিয়োগের পর পালসটেকের ব্যবসায় দ্রুত সম্প্রসারণ ঘটেছে। ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিকীকৃত রাজস্ব ছিল ২০ লাখ মার্কিন ডলার। বর্তমানে তা বেড়ে ১৫ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে রাজস্ব প্রায় ৭৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

পালসটেকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তাদের মাসিক রাজস্ব গড়ে ২০ শতাংশ হারে বাড়ছে। ঢাকায় ১৪ হাজারের বেশি ফার্মেসিকে সেবা দেওয়ার পাশাপাশি ৮৫ লাখেরও বেশি মানুষের কাছে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে দেশের প্রায় ৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের ওষুধের বাজারের এখনো ৫ শতাংশেরও কম অংশে পালসটেকের কার্যক্রম রয়েছে। ফলে দেশীয় বাজারেই প্রতিষ্ঠানটির আরও সম্প্রসারণের বড় সুযোগ রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে যাওয়ার প্রস্তুতি

দেশের বাজারে দ্রুত প্রবৃদ্ধির পর এবার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে পালসটেক। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে সিরিজ এ পর্যায়ের বিনিয়োগ সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার রাজস্ব অর্জনের লক্ষ্যও নির্ধারণ করেছে তারা।

বাংলাদেশের বাইরে সৌদি আরবকে প্রথম আন্তর্জাতিক বাজার হিসেবে বেছে নিয়েছে পালসটেক। এর মাধ্যমে দেশে তৈরি প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ বিতরণ ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

পালসটেকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরেফিন রাফি আহমেদ বলেন, প্রতিষ্ঠার শুরুতেই স্টার্টআপ বাংলাদেশ তাদের ওপর আস্থা রেখে বিনিয়োগ করেছিল। সেই বিনিয়োগের সফল রিটার্ন প্রমাণ করছে, বাংলাদেশে বড় ও সফল প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, পালসটেক এখন সিরিজ এ পর্যায়ের বিনিয়োগ সংগ্রহ করছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে গড়ে ওঠা একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানকে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিষ্ঠিত করাই তাদের লক্ষ্য।

লাভজনক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্ব

পালসটেকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আশিকুর রসুল বলেন, মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব তৈরির পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ভালো রিটার্ন দেওয়াও সম্ভব; পালসটেকের সাফল্য তার উদাহরণ।

তিনি বলেন, গত দুই বছরে লাখ লাখ মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তারা একটি লাভজনক ও দ্রুত বর্ধনশীল ব্যবসা গড়ে তুলেছেন। আগামী দিনেও একই লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে যাবে।

স্টার্টআপ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী নুরুল হাই বলেন, মানুষের বাস্তব সমস্যা সমাধানে কাজ করা উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নেওয়া এবং একই সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব তৈরির লক্ষ্যেই তারা বিনিয়োগ করেন। পালসটেকের সাফল্য তাদের বিনিয়োগ কৌশলের কার্যকারিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

তিনি আরও বলেন, এই অর্জন বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের স্টার্টআপগুলোকে বড় হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশে উৎসাহিত করবে।

পালসটেকের এই সাফল্য দেশের স্টার্টআপ খাতে সরকারি বিনিয়োগের সম্ভাবনাকেও নতুনভাবে সামনে এনেছে। স্থানীয় সমস্যার প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান, দ্রুত ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং লাভজনক অবস্থানে পৌঁছানো সম্ভব; পালসটেকের অগ্রগতি তার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। একই সঙ্গে স্টার্টআপ বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো বহুগুণ রিটার্ন আসায় ভবিষ্যতে দেশীয় স্টার্টআপে বিনিয়োগে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ও আস্থা আরও বাড়তে পারে।