ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তান থেকে পাখির খাদ্যের আড়ালে এলো নিষিদ্ধ পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:১৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / 148

পাকিস্তান থেকে পাখির খাদ্যের আড়ালে এলো নিষিদ্ধ পণ্য

চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা দুটি কনটেইনারে ৩২ টন পাখির খাদ্য আনার কথা ছিল। তবে সেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ২৫ টন পপি বীজ, যা ‘ক’ শ্রেণির মাদক হিসেবে বিবেচিত। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্মকর্তারা এই আমদানি-নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ করেছেন।

কাস্টমস জানিয়েছে, কোরবানিগঞ্জের মেসার্স আদিব ট্রেডিং এই চালানটি আমদানির জন্য পাঠায়। খালাসের জন্য কনটেইনার দুটি বেসরকারি ডিপো ছাবের আহম্মেদ টিম্বার কোম্পানি লিমিটেডে নেওয়া হয়। ২২ অক্টোবর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কনটেইনার দুটি খোলা হয়। পরীক্ষার পর ৭ টন পাখির খাদ্য এবং ২৫ টন পপি বীজ পাওয়া যায়।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, কনটেইনারে পাখির খাদ্যের মুখে পপি বীজ ঢেকে রেখে কৌশলে আমদানি করা হয়েছিল। পপি সিড মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুসারে ‘ক’ শ্রেণির মাদক এবং আমদানি-নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। দেশে এটি ‘পোস্তদানা’ হিসেবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়।

ঘোষিত মূল্য ছিল ৩০ লাখ ২ হাজার ৪৮২ টাকা, তবে বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় আমদানিতে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পাকিস্তান থেকে পাখির খাদ্যের আড়ালে এলো নিষিদ্ধ পণ্য

সর্বশেষ আপডেট ০৬:১৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা দুটি কনটেইনারে ৩২ টন পাখির খাদ্য আনার কথা ছিল। তবে সেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ২৫ টন পপি বীজ, যা ‘ক’ শ্রেণির মাদক হিসেবে বিবেচিত। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্মকর্তারা এই আমদানি-নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ করেছেন।

কাস্টমস জানিয়েছে, কোরবানিগঞ্জের মেসার্স আদিব ট্রেডিং এই চালানটি আমদানির জন্য পাঠায়। খালাসের জন্য কনটেইনার দুটি বেসরকারি ডিপো ছাবের আহম্মেদ টিম্বার কোম্পানি লিমিটেডে নেওয়া হয়। ২২ অক্টোবর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কনটেইনার দুটি খোলা হয়। পরীক্ষার পর ৭ টন পাখির খাদ্য এবং ২৫ টন পপি বীজ পাওয়া যায়।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, কনটেইনারে পাখির খাদ্যের মুখে পপি বীজ ঢেকে রেখে কৌশলে আমদানি করা হয়েছিল। পপি সিড মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুসারে ‘ক’ শ্রেণির মাদক এবং আমদানি-নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। দেশে এটি ‘পোস্তদানা’ হিসেবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়।

ঘোষিত মূল্য ছিল ৩০ লাখ ২ হাজার ৪৮২ টাকা, তবে বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় আমদানিতে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।