ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে যাকাতের ভূমিকা নিয়ে সেমিনার

নিজস্ব প্রতিবেদক, নীলফামারী
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / 428

যাকাতের ভূমিকা নিয়ে সেমিনারে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ। ছবি: বাংলা অ্যাফেয়ার্স

নীলফামারীতে ‘দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা ও তাৎপর্য’ শীর্ষক সেমিনার–২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩ মার্চ) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ সেমিনারের আয়োজন করে ইসলামিক ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা কার্যালয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, পিপিএম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন নীলফামারীর উপ-পরিচালক মোছাদ্দিকুল আলম। সঞ্চালনা করেন নীলফামারী সরকারি কলেজ-এর ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক ওমর ফারুক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন জেলা মডেল মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. উমর ফারুক। পরে স্বাগত বক্তব্যে মোছাদ্দিকুল আলম বলেন, যাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা সহজ হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়- এর কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব ড. হাফেজ মাওলানা রফিক উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, যাকাত ইসলামের একটি মৌলিক অর্থনৈতিক বিধান, যা সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে সহায়ক। যথাযথ পরিকল্পনা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে যাকাত কার্যক্রম পরিচালনা করা গেলে দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। তিনি যাকাত ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পাশাপাশি যাকাতের মতো ধর্মীয় উদ্যোগ সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সঠিকভাবে যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ করা গেলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

বিশেষ অতিথি পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, যাকাত শুধু ধর্মীয় অনুশাসন নয়, এটি সামাজিক দায়বদ্ধতারও অংশ। সমাজের সাম্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে যাকাত আদায় ও বণ্টনে সচেতন হতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে নীলফামারী কেন্দ্রীয় বড় মসজিদের খতিব মাওলানা খন্দকার আশরাফুল হক নূরী দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। সেমিনারে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, আলেম- ওলামা, ইমাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নীলফামারীতে যাকাতের ভূমিকা নিয়ে সেমিনার

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

নীলফামারীতে ‘দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা ও তাৎপর্য’ শীর্ষক সেমিনার–২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩ মার্চ) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ সেমিনারের আয়োজন করে ইসলামিক ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা কার্যালয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, পিপিএম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন নীলফামারীর উপ-পরিচালক মোছাদ্দিকুল আলম। সঞ্চালনা করেন নীলফামারী সরকারি কলেজ-এর ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক ওমর ফারুক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন জেলা মডেল মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. উমর ফারুক। পরে স্বাগত বক্তব্যে মোছাদ্দিকুল আলম বলেন, যাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা সহজ হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়- এর কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব ড. হাফেজ মাওলানা রফিক উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, যাকাত ইসলামের একটি মৌলিক অর্থনৈতিক বিধান, যা সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে সহায়ক। যথাযথ পরিকল্পনা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে যাকাত কার্যক্রম পরিচালনা করা গেলে দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। তিনি যাকাত ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পাশাপাশি যাকাতের মতো ধর্মীয় উদ্যোগ সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সঠিকভাবে যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ করা গেলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

বিশেষ অতিথি পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, যাকাত শুধু ধর্মীয় অনুশাসন নয়, এটি সামাজিক দায়বদ্ধতারও অংশ। সমাজের সাম্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে যাকাত আদায় ও বণ্টনে সচেতন হতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে নীলফামারী কেন্দ্রীয় বড় মসজিদের খতিব মাওলানা খন্দকার আশরাফুল হক নূরী দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। সেমিনারে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, আলেম- ওলামা, ইমাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।