ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে ডিজিটাল ভূমি জোনিং নিয়ে কর্মশালা

আরিফুল ইসলাম আরিফ, ​নীলফামারী
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 160

নীলফামারীতে ডিজিটাল ভূমি জোনিং নিয়ে কর্মশালা

মৌজা ও প্লটভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিংয়ের মাধ্যমে ভূমি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় কোন জমি কৃষি, আবাসন, শিল্প বা অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেই তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা হবে। পরিকল্পিত নগরায়ণ ও কৃষিজমি সুরক্ষাতেও এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নীলফামারীতে মৌজা ও প্লটভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং বিষয়ে জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মৌজা ও প্লটভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্পের যুগ্ম সচিব ও প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।

কর্মশালায় জানানো হয়, মৌজা ও প্লটের তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণের পাশাপাশি ভূমির ব্যবহার অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকা চিহ্নিত করা হবে। এতে কোনো এলাকার বর্তমান ভূমি ব্যবহার সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে আবাসিক, শিল্প বা কৃষিভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রেও এসব তথ্য কাজে লাগানো সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও দ্রুত নগরায়ণের কারণে কৃষিজমি, জলাভূমি ও অন্যান্য ভূমির ওপর চাপ বাড়ছে। পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনার অভাবে কৃষিজমি হ্রাস, অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাবের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। ডিজিটাল জোনিংয়ের মাধ্যমে ভূমির শ্রেণি ও ব্যবহার সম্পর্কে তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা করা সহজ হবে।

তারা আরও বলেন, কৃষিজমি সংরক্ষণ, জলাভূমি রক্ষা, শিল্পাঞ্চল ও আবাসিক এলাকা নির্ধারণ এবং সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নেও ডিজিটাল ভূমি তথ্য ব্যবহার করা যাবে। একই সঙ্গে দুর্যোগপ্রবণ ও পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

কর্মশালায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সভাপতি হাসান রাব্বি প্রধান, সহসভাপতি আনোয়ারুল আলম প্রধান, সাধারণ সম্পাদক মিল্লাদুর রহমান মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন শাহ, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি তাসনিম ফৌজিয়া ওপেলসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নীলফামারীতে ডিজিটাল ভূমি জোনিং নিয়ে কর্মশালা

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মৌজা ও প্লটভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিংয়ের মাধ্যমে ভূমি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় কোন জমি কৃষি, আবাসন, শিল্প বা অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেই তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা হবে। পরিকল্পিত নগরায়ণ ও কৃষিজমি সুরক্ষাতেও এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নীলফামারীতে মৌজা ও প্লটভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং বিষয়ে জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মৌজা ও প্লটভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্পের যুগ্ম সচিব ও প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।

কর্মশালায় জানানো হয়, মৌজা ও প্লটের তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণের পাশাপাশি ভূমির ব্যবহার অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকা চিহ্নিত করা হবে। এতে কোনো এলাকার বর্তমান ভূমি ব্যবহার সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে আবাসিক, শিল্প বা কৃষিভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রেও এসব তথ্য কাজে লাগানো সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও দ্রুত নগরায়ণের কারণে কৃষিজমি, জলাভূমি ও অন্যান্য ভূমির ওপর চাপ বাড়ছে। পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনার অভাবে কৃষিজমি হ্রাস, অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাবের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। ডিজিটাল জোনিংয়ের মাধ্যমে ভূমির শ্রেণি ও ব্যবহার সম্পর্কে তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা করা সহজ হবে।

তারা আরও বলেন, কৃষিজমি সংরক্ষণ, জলাভূমি রক্ষা, শিল্পাঞ্চল ও আবাসিক এলাকা নির্ধারণ এবং সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নেও ডিজিটাল ভূমি তথ্য ব্যবহার করা যাবে। একই সঙ্গে দুর্যোগপ্রবণ ও পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

কর্মশালায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সভাপতি হাসান রাব্বি প্রধান, সহসভাপতি আনোয়ারুল আলম প্রধান, সাধারণ সম্পাদক মিল্লাদুর রহমান মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন শাহ, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি তাসনিম ফৌজিয়া ওপেলসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।