নবজাতক মৃত্যুতে অপরাধীদের কোনো ছাড় নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- সর্বশেষ আপডেট ১২:৫২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
- / 41
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে অবহেলার কারণে ছয় নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো মো সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (৩ জুন) সকালে সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। মূলত এই বর্বরোচিত অবহেলার পেছনে দায়ী অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। আজ বিকেলের মধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্ত না হলেও দোষী ব্যক্তিরা আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো বিশেষ সুবিধা পাবে না।
বর্তমানে দেশের তৃণমূল পর্যায়ের চিকিৎসাসেবা উন্নত করতে বড় ধরণের প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। দেশের ৪৯২টি উপজেলার সরকারি হাসপাতালকে ৫০ শয্যা থেকে বাড়িয়ে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় আজ থেকেই এই রূপান্তরের কাজ শুরু করছে গণপূর্ত বিভাগ। তাছাড়া চিকিৎসা খাতের অবকাঠামো শক্তিশালী করতে ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের পুরোনো ভবনটি ভেঙে সেখানে একটি আধুনিক নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে। একই সাথে চীন-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে নারীদের জন্য পাঁচটি বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরি করা হবে।
শিশুদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে দেশের পাঁচটি প্রধান বিভাগে পাঁচটি নতুন শিশু হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। মূলত খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর ও কুমিল্লায় এই বিশেষায়িত হাসপাতালগুলো স্থাপন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি শিশু হাসপাতালেই একটি করে সর্বাধুনিক আইসিইউ (ICU) সুবিধা রাখা হবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিশেষে কাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই হাসপাতালগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন।
সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে এবার ঘরে ঘরে গিয়ে ‘স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং’ কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে দেশের ৬ থেকে ১০টি উপজেলার একটি করে ইউনিয়নে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু হবে। তবে এটি সফল হলে পরবর্তীতে তা দেশজুড়ে সম্প্রসারণ করা হবে। বর্তমানে দেশে হামে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে এবং পরিস্থিতি বেশ স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে আশা প্রকাশ করে মন্ত্রী জানান, হাম বা ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব হঠাৎ বাড়লে সেনাবাহিনীর সহায়তায় মোবাইল হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।





































